কলকাতা: ফের বাড়ল মৃত্যু,রাজ্যে একদিনে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ এর আগে দৈনিক মৃতের সংখ্যা ৫০ এর নিচে নেমে এলেও, ফের তা উর্ধমুখী৷ পাশাপাশি আক্রান্ত আরও ৩৫০৭ জন৷ তবে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা সামান্য বেশি৷

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ৩৫০৭ জন৷ বুধবার ছিল ৩,৫২৮ জন৷ তুলনামূলক সামান্য কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা৷ তবে সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৭০ হাজার ৪৯৮ জন৷ একদিনে বাংলায় ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বুধবার ছিল ৫১ জন৷

মঙ্গলবার ছিল ৪৯ জন৷ এই তথ্যই বলে দিচ্ছে, দৈনিক মৃতের সংখ্যাটা ফের উর্ধমুখী৷ সব মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ৮,২২৪ জন৷ মৃত ৫২ জনের মধ্যে কলকাতার ১২ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায়ও ১২ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৪ জন৷ হাওড়ার ৬ জন৷ হুগলি ২ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ২ জন৷

পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ মেদিনীপুর ২ জন৷ ঝাড়গ্রাম ১ জন৷ বীরভূম ২ জন৷ নদিয়া ২ জন৷ মালদা ২ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৫৩৭ জন৷ বুধবার ছিল ৩,৬০৫ জন৷ তুলনামূলক কম৷

তবুও বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৩৭ হাজার ৬০৪ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.০১ শতাংশ৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে ২৫ হাজারের নিচে নেমে এল৷ তথ্য অনুযায়ী,২৪ হাজার ৬৭০ জন৷ বুধবার ছিল ২৪ হাজার ৭৫২ জন৷ তুলনামূলক ৮২ জন কম৷

এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে প্রায় ৫৭ লক্ষ৷ তথ্য অনুযায়ী ৫৬ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৩৭ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৬৩,৩২৫ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ৭১৩ টি৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৫ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ বর্তমানে ১০১ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷

এর মধ্যে সরকারি ৪৪ টি হাসপাতাল ও ৫৭ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১৩,৫৩৪ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,৮০৯টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ১০৯০টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।