কলকাতা: রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার বেড়ে ৯৭ শতাংশের বেশি৷ অনেকটাই কমেছে দৈনিক মৃত্যু ও সংক্রমণ৷ তবে কমছে না মৃত্যু হার৷ যা দেশের তুলনায় অনেক বেশি৷ সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ২৫২ জন৷

রবিবার ছিল ৩৮৯ জন৷ তারফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩৫৫ জন৷ বাংলায় গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৭ জনের৷ রবিবার ছিল ৮ জন৷ শনিবার ১০ জন৷ তবুও রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ১২২ জন৷

এদের মধ্যে শুধু কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ৩,০৬৩ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণার সংখ্যাটা ২,৪৫৬ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের৷ নদিয়ায় ২ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণা ও হুগলিতে একজন করে মৃত্যু হয়েছে৷ তবে চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যুহারও ৷ ২৪ জানুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় মৃত্যু হার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ৷ বেশ কিছুদিন ধরে সংখ্যাটা একই জায়গায় দাড়িয়ে আছে৷

তবে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীনের সংখ্যাটা কমে ১ হাজার ২৫৪ জন৷ হোম আইসোলেশনে ৫ হাজার ৪৬ জন৷ আর সেফ হোমে রয়েছেন মাত্র ২৩ জন৷ বাংলায় গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪১৭ জন৷ যা আক্রান্তের প্রায় দ্বিগুন৷ তাছাড়া রবিবার সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন ৪৫৪ জন৷

সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৮২ জন৷ আর সুস্থতার হার বেড়ে ৯৭.১৪ শতাংশ৷ একদিনে টেস্ট হয়েছে মাত্র ১৮ হাজার ২৪৩ টি৷ রবিবার ছিল ২৫ হাজার ২০৭ টি৷ তারফলে মোট করোনা টেস্ট হয়েছে সাড়ে ৭৮ লক্ষের বেশি৷

তথ্য অনুযায়ী ৭৮ লক্ষ ৫১ হাজার ৫৩২ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৮৭,২৩৯ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ৬ হাজারের সামান্য বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী,৬ হাজার ১৫১ জন৷ রবিবার ছিল ৬ হাজার ৩২৩ জন৷ তুলনামূলক ১৭২ জন কম৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ১০২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বি: দ্র: – প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে যে বুলেটিন প্রকাশিত হয়,সেখানে আগের দিন সকাল ৯ টা থেকে বুলেটিন প্রকাশিত হওয়ার দিন সকাল ৯ টা পর্যন্ত তথ্য উল্লেখ করা হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।