কলকাতা: বাংলায় লাগাম ছাড়া সংক্রমণ৷ তার মধ্যে চলছে উৎসব৷ এদিনও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ছাড়াল৷ বেড়েছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তে সংখ্যাও৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬৪ জনের৷ এদিন অবশ্য একটু বেড়েছে সুস্থতার হার৷

বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৪,০৬৯ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৪,০২৯ জন৷ সব মিলিয়ে মোট আক্রান্ত ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ১২৬ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ মঙ্গলবার ছিল ৬১ জন৷ তুলনামূলক বেশি৷ এই নিয়ে তিন বার দৈনিক মৃতের সংখ্যা ৬৪ তে পৌঁছাল৷

ফলে এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে ৬,২৪৪ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা বাড়তে বাড়তে সাড়ে ৩৫ হাজার ছাড়াল৷ এদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,৩৫ হাজার ৫৭৯ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩৫ হাজার ১৭০ জন৷ তুলনামূলক ৪০৯ জন বেশি৷ এক সময় অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমতে কমতে ২৩ হাজারে নেমে এসেছিল৷

এদিনও নতুন আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যাটা কম৷ একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৫৯৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩,৩৮২ জন৷ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৩০৩ জন৷ অনেক দিন পর সুস্থতার হার একটু বেড়ে ৮৭.৪৫ শতাংশ৷ মঙ্গলবার ছিল ৮৭.৪৩ শতাংশ৷ একদিনে যে ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৯ জন৷

উত্তর ২৪ পরগনার ১৯ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭ জন৷ হাওড়ার ৩ জন৷ হুগলি ৩ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ২ জন৷ বীরভূম ১ জন৷ নদিয়া ২ জন৷ মালদা ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷ যদিও বাংলায় একদিনে ৪৩ হাজার ৫৯২ টি নমুনা টেস্ট হয়েছে৷ মঙ্গলবার ছিল ৪৩ হাজার ৭৬২ টি৷

এই মূহুর্তে মোট টেস্টের সংখ্যা ৪১ লক্ষ ২২ হাজার ২৪৩ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৫,৮০৩ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ২ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ আশা করা যায় ওই ল্যাবরেটরিতে শীঘ্রই টেস্ট শুরু হবে৷

বাংলায় এই মূহুর্তে ৯৩ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৩৮ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷

হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,৭৫১ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,২৪৩টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২ টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।