কলকাতা: বাংলায় লাগাম ছাড়া সংক্রমণ৷ একদিনে আক্রান্ত প্রায় চার হাজার৷ মৃত্যু হয়েছে আরও ৬৩ জনের৷ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষ ২৫ হাজারের বেশি৷ তুলনামূলক কমছে সুস্থতার হার৷

সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৩,৯৯২ জন৷ প্রায় চার হাজার৷ রবিবার ছিল ৩,৯৮৩ জন৷ এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বেশি দিন লাগবে না, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা ৫ হাজার হতে৷

তবে উৎসবের পর বাংলায় করোনা ঢেউ আচড়ে পড়ার সম্ভাবনা৷ হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে পুজো হলে সেই সম্ভাবনা অন্তত নেই৷ এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ গত ২৪ ঘন্টায় ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ রবিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৬৪ জনে৷ যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা ছিল৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ১১৯ জন৷ প্রতিদিনই বাড়ছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা৷

এদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩৪ হাজার ৫৮৪ জন৷ রবিবার ছিল ৩৩ হাজার ৯২৭ জন৷ তুলনামূলক ৬৫৭ জন৷ এক সময় অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমতে কমতে ২৩ হাজারে নেমে এসেছিল৷ সেখান থেকে বাড়তে বাড়তে সংখ্যাটা ৩৫ হাজারের দোরগোড়ায়৷ এদিনও নতুন আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যাটা কম৷

একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,২৭২ জন৷ রবিবার ছিল ৩,১১৩ জন৷ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩২৫ জন৷ সুস্থতার হার কমে ৮৭.৪৮ শতাংশ৷ রবিবার ছিল ৮৭.৫৫ শতাংশ৷ একদিনে যে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৮ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১০ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ জন৷

হাওড়ার ১১ জন৷ হুগলি ৪ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব বর্ধমান ২ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৪ জন৷ নদিয়া ২ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ মালদা ২ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷ যদিও বাংলায় একদিনে ৪৩ হাজার ৬১৯ টি নমুনা টেস্ট হয়েছে৷

রবিবার ছিল ৪৩ হাজার ৫২০ টি৷ এই মূহুর্তে মোট টেস্টের সংখ্যা ৪০ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৮৯ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৪,৮৩২ জন। এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ২ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

আশা করা যায় ওই ল্যাবরেটরিতে শীঘ্রই টেস্ট শুরু হবে৷ বাংলায় এই মূহুর্তে ৯৩ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৩৮ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷

হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,৭৫১ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,২৪৩টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।