কলকাতা: বাংলায় সুস্থ হয়ে ওঠার হার প্রায় ৮৭ শতাংশ৷ কিছুটা কমল দৈনিক মৃত্যু ও সংক্রমণ ৷ তবে বেড়েই চলেছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা৷ শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ শুক্রবার ছিল ৫৯ জন৷

বৃহস্পতিবার ৬০ জন৷ আর বুধবার ৬১ জন৷ ফলে ফের কমতে শুরু করেছে দৈনিক মৃতের সংখ্যা৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ হাজার ২৯৮ জন৷ যে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৫ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৫ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৫ জন৷

হাওড়ার ২ জন৷ হুগলির ৪ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ বাঁকুড়া ২ জন৷ পুরুলিয়া ১ জন৷ নদিয়া ১ জন৷ মালদা ১ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ কালিম্পং ১ জন৷

দার্জিলিং ১ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷ একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২,৯৯৩ জন৷ শুক্রবার ছিল ২,৯৬০ জন৷ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৪ জন৷ তার ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬.৯৬ শতাংশ৷ শুক্রবার ছিল ৮৬.৮৬ শতাংশ৷

তবে এদিনও সুস্থ হয়ে ওঠার থেকে তুলনামূলক ভাবে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বেশি৷ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩,১৮৮ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩,১৯২ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৩,১৯৭ জন৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ২১ হাজার ৯৬০ জন৷ রাজ্যে ফের অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা প্রতিদিনই বাড়ছে৷

এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ২৪ হাজার ৬৪৮ জন৷ শুক্রবারের তুলনায় ১৩৯ জন বেশি৷ বাংলায় একদিনে ৪৫ হাজার ৫৬৩ টি টেস্ট হয়েছে৷

শুক্রবার ছিল ৪৫ হাজার ২২৯ টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ২৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮৬২ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৩০,৪৯৮ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৭৭টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ৪ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বাংলায় ৯২ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৩৭ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷

হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,৬৭৫ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,২৪৩টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।