কলকাতা: বাংলায় অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ২৭ হাজারের বেশি৷ একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের৷ আক্রান্ত আরও তিন হাজারের বেশি৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৩৪ হাজারের বেশি৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে প্রায় ৭৪ শতাংশ৷ শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,বাংলায় একদিনে কিছুটা কমল মৃতের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের৷ শুক্রবার ছিল ৬০ জন৷

বৃহস্পতিবার সংখ্যাটা ছিল ৫৬ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২,৩৭৭ জনের৷ একদিনে আক্রান্ত তিন হাজারের বেশি৷ পরিসংখ্যান অনুযায়ী,গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৩,০৭৪ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩,০৩৫ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২,৯৯৭ জন৷ তবে এই পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৪৩২ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটাও বেড়ে হয়েছে ২৭ হাজার ২১৯ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৩৬৯ জন৷

গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২,৬৪৭ জন৷ শুক্রবার ছিল ২,৫৭২ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২৪৯৭ জন৷ তবে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৩ হাজার ৮৩৬ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭৩.৯১ শতাংশ৷ শুক্রবার ছিল ৭৩.৫৭ শতাংশ৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৭৩.২৫ শতাংশ৷ বুধবার ছিল ৭২.৯৬ জন৷ অর্থাৎ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে উঠার হার৷ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা টেস্টের সংখ্যা৷

গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৩৪ হাজার ২১৪ টি৷ শুক্রবার ছিল ৩১ হাজার ৩১৭ টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ১২ লক্ষ ৮২ হাজার ৪৮৬টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ১৪,২৫০ জন৷ যে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ২১ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনারও ১৫ জন৷

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৫ জন৷ হাওড়া ৪ জন৷ হুগলি ২ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ নদিয়া ১ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ মালদা ১ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ২ জন৷ এর আগে যে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছিল, তাদের মধ্যে কলকাতার ছিল ২১ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনারও ১৬ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২ জন৷ হাওড়া ৮ জন৷ হুগলি ২ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷

পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ মালদা ১ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ২ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৬৬টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ৭ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বাংলায় ৮৪ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ২৯ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,২৪৩টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

শুক্রবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,বাংলায় একদিনে মৃত্যু হয়েছিল ৬০ জনের৷ বৃহস্পতিবার সংখ্যাটা ছিল ৫৬ জনে৷ বুধবার ছিল ৫৪ জনে৷ একদিনে আক্রান্ত ছিল তিন হাজারের বেশি৷ পরিসংখ্যান অনুযায়ী,২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ছিল ৩,০৩৫ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২,৯৯৭ জন৷

রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫৮ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটাও বেড়ে হয়েছিল ২৬ হাজার ৮৫০ জন৷ ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন ২,৫৭২ জন৷

বৃহস্পতিবার ছিল ২৪৯৭ জন৷ বুধবার ছিল ২,৭২৫ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩,০৬৭ জন৷ মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮১ হাজার ১৮৯ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হয়েছিল ৭৩.৫৭ শতাংশ৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৭৩.২৫ শতাংশ৷ বুধবার ছিল ৭২.৯৬ জন৷ অর্থাৎ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে উঠার হার৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও