কলকাতা: বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়াল, একদিনে ৫৮ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৩ হাজারের বেশি৷ নতুন আক্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে কম মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ সোমবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে৷

রবিবারও সংখ্যাটা একই ছিল৷ শনিবার ছিল ৫৯ জন৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ হাজার ৩ জন৷ যে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৬ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১০ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৫ জন৷ হাওড়া ৬ জন৷ হুগলি ৫ জন৷

পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ বাঁকুড়া ১ জন৷ পুরুলিয়া ২ জন৷ বীরভূম ১ জন৷ নদিয়া ৩ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ কোচবিহার ২ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৩,২১১ জন৷ রবিবার ছিল ৩,২১৫ জন৷

এর ফলে রাজ্যে এই পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৫ হাজার ৯১৯ জন৷ এদিনও নতুন আক্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে কম মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,০৮৪ জন৷ রবিবার ছিল ৩,০৫৪ জন৷

সব মিলিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ২২৩ জন৷ তার ফলে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬.৫৫ শতাংশ৷ রবিবার ছিল ৮৬.৪০ শতাংশ৷ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে ওঠার হার৷ রাজ্যে ফের বাড়ল অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা৷

এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৬৯৩ জন৷ রবিবারের তুলনায় ৬৯ জন বেশি৷ বাংলায় একদিনে ৪৭ হাজার ৫৩৭ টি টেস্ট হয়েছে৷ এটাই একদিনে রাজ্যে সর্বোচ্চ টেস্ট৷ রবিবার ছিল ৪৭ হাজার ৩১৮ টি৷ এই পর্যন্ত টেস্টের সংখ্যা ২৫ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৯৫ টি৷

প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ২৭,৯৭৩ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৭৬টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ৫ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ বাংলায় ৯২ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷

এর মধ্যে সরকারি ৩৭ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,৬৭৫ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,২৪৩টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.