কলকাতা: বাংলায় এই প্রথম একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়াল৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৬০ জনের৷ এই সংখ্যাটাও এই পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ৷ শুক্রবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,বাংলায় একদিনে ফের বাড়ল মৃতের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬০ জনের৷

বৃহস্পতিবার সংখ্যাটা ছিল ৫৬ জনে৷ বুধবার ছিল ৫৪ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২,৩১৯ জনের৷ একদিনে আক্রান্ত তিন হাজারের বেশি৷ পরিসংখ্যান অনুযায়ী,গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৩,০৩৫ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২,৯৯৭ জন৷ তবে এই পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫৮ জন৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটাও বেড়ে হয়েছে ২৬ হাজার ৮৫০ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৪০৩ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২,৫৭২ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২৪৯৭ জন৷ বুধবার ছিল ২,৭২৫ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩,০৬৭ জন৷ তবে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮১ হাজার ১৮৯ জন৷

সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭৩.৫৭ শতাংশ৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৭৩.২৫ শতাংশ৷ বুধবার ছিল ৭২.৯৬ জন৷ অর্থাৎ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে উঠার হার৷ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা টেস্টের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৩১ হাজারের বেশি৷ এই প্রথম ৩১ হাজার ছাড়াল টেস্টের সংখ্যা৷

গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় টেস্ট হয়েছে ৩১ হাজার ৩১৭ টি৷ বুধবার ছিল ২৭ হাজার ৭১২ টি৷ মঙ্গলবার ছিল ২৭ হাজার ১৫ টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ১২ লক্ষ ৪৮ হাজার ২৭২টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ১৩,৮৭০ জন৷ যে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ২১ জন৷

উত্তর ২৪ পরগনারও ১৬ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২ জন৷ হাওড়া ৮ জন৷ হুগলি ২ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ মালদা ১ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ২ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷ এর আগে যে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল, তাদের মধ্যে কলকাতার ছিল ১৬ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনারও ১২ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২ জন৷ হাওড়া ১২ জন৷

হুগলি ৩ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ নদিয়া ২ জন৷ মালদা ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ আলিপুর দুয়ার ১ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৬৫টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷

আরও ৬ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ বাংলায় ৮৪ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ২৯ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৯৪৮টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭১৫টি৷

কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷ বৃহস্পতিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছিল ৫৬ জনের৷ বুধবার সংখ্যাটা ছিল ৫৪ জনে৷ আক্রান্ত ছিল ২,৯৯৭ জন৷ বুধবারের থেকে বেশি৷ সেদিন ছিল ২,৯৩৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ২,৯৩১ জন৷

রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ১ লক্ষ ৭ হাজার ৩২৩ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ২৬ হাজার ৪৪৭ জনে৷ ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন ২৪৯৭ জন৷

বুধবার ছিল ২,৭২৫ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩,০৬৭ জন৷ মোট সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন ৭৮ হাজার ৬১৭ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার ছিল ৭৩.২৫ শতাংশ৷ গত বুধবার ছিল ৭২.৯৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৭২.৩৯ শতাংশ৷ সোমবার ছিল ৭১.৪৩ শতাংশ৷ রবিবার ছিল ৭০.২৪ শতাংশ৷ অর্থাৎ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে উঠার হার৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।