কলকাতা: বাংলায় একদিনে ৩০ হাজারের বেশি টেস্ট৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত প্রায় তিন হাজার৷ মৃত্যু হয়েছে আরও ৫৬ জনের৷ সুস্থ হয়ে ওঠার হার ৭৩ শতাংশের বেশি৷

বৃহস্পতিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে ফের বাড়ল মৃতের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের৷ বুধবার সংখ্যাটা ছিল ৫৪ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২,২৫৯ জনের৷

একদিনে আক্রান্ত প্রায় তিন হাজার৷ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২,৯৯৭ জন৷ বুধবারের থেকে বেশি৷ সেদিন ছিল ২,৯৩৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ২,৯৩১ জন৷ তবে এই পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যাটা ১ লক্ষ ৭ হাজার ৩২৩ জন৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে ২৬ হাজার ৪৪৭ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৪৪৪ জন৷

২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২৪৯৭ জন৷ বুধবার ছিল ২,৭২৫ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩,০৬৭ জন৷ তবে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৮ হাজার ৬১৭ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭৩.২৫ শতাংশ৷ গত বুধবার ছিল ৭২.৯৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৭২.৩৯ শতাংশ৷ সোমবার ছিল ৭১.৪৩ শতাংশ৷ রবিবার ছিল ৭০.২৪ শতাংশ৷ অর্থাৎ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে উঠার হার৷

বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা টেস্টের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি৷ এই প্রথম ৩০ হাজার ছাড়াল টেস্টের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় টেস্ট হয়েছে ৩০ হাজার ৩২ টি৷ বুধবার ছিল ২৭ হাজার ৭১২ টি৷ মঙ্গলবার ছিল ২৭ হাজার ১৫ টি৷ সোমবার ছিল ২৬ হাজার ২৯৭ টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ১২ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৫৫টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ১৩,৫২২ জন৷

যে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৬ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনারও ১২ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২ জন৷ হাওড়া ১২ জন৷ হুগলি ৩ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ নদিয়া ২ জন৷ মালদা ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ আলিপুর দুয়ার ১ জন৷

বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী যে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল, তাদের মধ্যে কলকাতার ছিল ১৯ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনারও ১৩ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২ জন৷ হাওড়া ৩ জন৷ হুগলি ১ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ২ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ ঝাড়গ্রাম ২ জন৷ পুরুলিয়া ১ জন৷ নদিয়া ৩ জন৷ জলপাইগুড়ি ৩ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ আলিপুর দুয়ার ১ জন৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৬২টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ৪ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ বাংলায় ৮৪ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ২৯ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৯৪৮টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭১৫টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘন্টায় বাংলায় মৃত্যু হয়েছিল ৫৪ জনের৷ মঙ্গলবার সংখ্যাটা ছিল ৪৯ জনে৷ সেই তুলনায় বুধবার মৃতের সংখ্যাটা ছিল বেশি৷ তবে মোট মৃত্যু হয়েছিল ২,২০৩ জনের৷

২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছিল ২,৯৩৬ জন৷ মঙ্গলবারের থেকে বেশি৷ সেদিন ছিল ২,৯৩১ জন৷ রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ১ লক্ষ ৪ হাজার ৩২৬ জন৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ২৬ হাজার ৩ জন৷

একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন ২,৯৩৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৩,০৬৭ জন৷ মোট সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যাটা ছিল ৭৬ হাজার ১২০ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হয়েছিল ৭২.৯৬ শতাংশ৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও