কলকাতা: বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৫ লক্ষ ১০ হাজারের বেশি৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত প্রায় তিন হাজার৷ মৃত্যু হয়েছে আরও ৪৭ জনের৷ বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ২,৯৫৬ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ২,৯৪১ জন৷

তুলনামূলক ফের বাড়ল সংক্রমণ৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১০ হাজার ৯৫১ জন৷ একদিনে বাংলায় ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ মঙ্গলবার ছিল ৪৯ জন৷ ফলে দৈনিক মৃতের সংখ্যা কিছুটা কম৷ কিন্তু মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮,৮৬৭ জন৷ মৃত ৪৭ জনের মধ্যে কলকাতার ১৭ জন৷

আর উত্তর ২৪ পরগণার ১২ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৪ জন৷ হাওড়ার ৩ জন৷ পূর্ব বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ বীরভূম ১ জন৷ নদিয়া ৩ জন৷ মুর্শিদাবাদ ২ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ এদিন রাজ্যে সংক্রমণ যেমন বেড়েছে,তেমনি সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটাও বেড়েছে৷

গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,০০৯ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ২,৯৭১ জন৷ সব মিলিয়ে বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪৩৪ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.৬৪ শতাংশ৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে ২৪ হাজারের নিচে৷ তথ্য অনুযায়ী, ২৩ হাজার ৬৫০ জন৷

মঙ্গলবার ছিল ২৩ হাজার ৭৫০ জন৷ তুলনামূলক ১০০ জন কম৷ এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে সাড়ে ৬২ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী ৬২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৮৮ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৬৯,৫১০ জন৷ একদিনে ৪৪ হাজার ৩৫১ টি৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৭ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বি: দ্র: – প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে যে বুলেটিন প্রকাশিত হয়েছে,তা আগের দিন সকাল ৯ টা থেকে তার পরের দিনের সকাল ৯ টা পর্যন্ত পরিসংখ্যান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।