কলকাতা: বাংলায় এই পর্যন্ত প্রায় চার লক্ষ আক্রান্ত৷ যদিও এদের মধ্যে সাড়ে তিন লক্ষের বেশি করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ তার ফলে বর্তমানে ৩৫ হাজারের একটু বেশি চিকিৎসাধীন রয়েছেন৷ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ৩,৯৪২ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৩,৯৪৮ জন৷ তুলনামূলক কমল আক্রান্তের সংখ্যা৷

এমনকি আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বেশি৷ তবে এই পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৩ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪৬৬ জন৷ প্রায় চার লক্ষ৷ সংক্রমণের হার ৮.৬৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৫৪ জন৷ কিছুদিন আগে এই সংখ্যাটা ৬৩ তে পৌঁছে গিয়েছিল৷ যদিও এই মূহুর্তে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৭,১৭৭ জন৷ রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,২৮৩ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৪,১৮৭ জন৷

তার ফলে বাংলায় সাড়ে তিন লক্ষ ছাড়াল সুস্থতার সংখ্যা৷ অর্থাৎ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৩২ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৮৯.২৫ শতাংশ৷ ৫ নভেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৮০ শতাংশ৷ যা এক সময় ২ শতাংশের ওপরে ছিল৷ রাজ্যে সুস্থতার হার ছিল ৮৯.০৫ শতাংশ৷

আজ সেটা আরও বেড়ে ৮৯.২৫ শতাংশ৷ অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬,৬২৩ জন৷ সেফ হোমে চিকিৎসাধীন ১,০৪১ জন৷ এবং হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ২৮,২৮৯ জন৷ এদিন যে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৩ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১১ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ জন৷

হাওড়ার ৩ জন৷ হুগলি ৪ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ বাঁকুড়া ১ জন৷ পুরুলিয়া ১ জন৷ বীরভূম ২ জন৷ নদিয়া ৫ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ কালিম্পং ২ জন৷ দার্জিলিং ২ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা এদিন আরও কমে ৩৬ হাজারের নিচে নেমে এল৷

তথ্য অনুযায়ী, ৩৫ হাজার ৫৫৭ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৩৫ হাজার ৯৫৩ জন৷ তুলনামূলক ৩৯৬ জন কম৷

এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে ৪৮ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী, ৪৮ লক্ষ ২৪ হাজার ৩২৭ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৫৩,৬০৪ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৫ হাজার ৩৫২ টি৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৪ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷

আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ এই মূহুর্তে আরও ৫টি বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর ফলে বর্তমানে ১০১ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷

এর মধ্যে সরকারি ৪১ টি হাসপাতাল ও ৬০ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১৩,৪৯৮ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,৮০৯টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ১০৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।