কলকাতা: বাংলায় কমল দৈনিক মৃতের সংখ্যা৷ কিন্তু আক্রান্ত চার হাজারের বেশি৷ কিছুটা বাড়ল দৈনিক সুস্থতার হার৷ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন লক্ষের বেশি করোনা রোগী৷ অষ্টমীর সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত ৪,১৪৮ জন৷ শুক্রবার ছিল ৪,১৪৩ জন৷

সব মিলিয়ে মোট আক্রান্ত ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫৭৪ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ শুক্রবার ছিল ৬০ জন৷ এদিন কিছুটা কমল দৈনিক মৃতের সংখ্যা৷ ফলে এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে ৬,৪২৭ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা বাড়তে বাড়তে প্রায় ৩৭ হাজার৷

এদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,৩৬ হাজার ৮০৭ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩৬ হাজার ৪৭১ জন৷ তুলনামূলক ৩৩৬ জন বেশি৷ পয়লা অগস্ট অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ২০ হাজারের একটু বেশি ছিল৷ তারপর প্রতিদিনই বাড়ছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা৷ এদিনও নতুন আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যাটা কম৷

একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৭৫৩ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩,৬৭৬ জন৷ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী, ৩ লক্ষ ২ হাজার ৩৪০ জন৷ সুস্থতার হার একটু বেড়ে ৮৭.৪৯ শতাংশ৷ শুক্রবার ছিল ৮৭.৪৫ শতাংশ৷ একদিনে যে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৯ জন৷

উত্তর ২৪ পরগনার ১৪ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩ জন৷ হাওড়ার ২ জন৷ হুগলি ৫ জন৷ পূর্ব বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ বীরভূম ১ জন৷ নদিয়া ৪ জন৷ মুর্শিদাবাদ ২ জন৷ মালদা ২ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ যদিও বাংলায় একদিনে ৪৪ হাজার ৭২৪ টি নমুনা টেস্ট হয়েছে৷

শুক্রবার ছিল ৪৪ হাজার ৫৮২ টি৷ এই মূহুর্তে মোট টেস্টের সংখ্যা ৪২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮০১ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৭,২৮৭ জন৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

আশা করা যায় ওই ল্যাবরেটরিতে শীঘ্রই টেস্ট শুরু হবে৷ বাংলায় এই মূহুর্তে ৯৩ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৩৮ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷

হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,৭৫১ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,২৪৩টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৭৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।