স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আজ, বুধবার থেকে প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন বন্দিরা৷ করোনা পরিস্থিতিতে সংশোধনাগারগুলিতে ভিড় কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার৷ ধাপে ধাপে ছাড়া হবে বলে কারা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে৷

সম্প্রতি বেশ কিছু সংশোধনাগারে বন্দিদের কোভিড (COVID-19) আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলছে। এই পরিস্থিতিতে সংশোধনাগারে করোনা (Coronavirus) সংক্রমণ রুখতে নতুন নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এবার সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মঙ্গলবার কারা বিভাগের আধিকারিকরা বৈঠকে বসেন। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগারে বন্দি থাকা দুই হাজার সাতশো সাজাপ্রাপ্ত আবাসিককে প্যারোলে ছাড়া হবে৷ তাদের প্যারোলে ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরে অন্য বিচারাধীন আবাসিকদের জামিনে মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হবে৷ উল্লেখ্য, গত বছর করোনা সংক্রমনের জন্য একইভাবে বেশকিছু আবাসিককে প্যারোলে ছাড়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: শহরের মাথায় ১০ কিলোমিটারের বিশাল মেঘপুঞ্জ, বৃষ্টিতে টইটুম্বুর তিলোত্তমা

প্রসঙ্গত, গত ৮ মে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিদের তৈরি বিশেষ একটি কমিটিকে সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়। নির্দেশে বলা হয় গত বছর সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে যাঁদের ছাড়া হয়েছিল, এবারও তাঁদের ৯০ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি দিতে হবে। সেই সঙ্গে জেলে কেউ করোনা আক্রান্ত হলে যেন তাঁর যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু তাই নয়, একান্ত জরুরি না মনে হলে কাউকে গ্রেফতার করা থেকে বিরত থাকতে হবে পুলিশকে।

জেল বন্দিদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ইতিমধ্যেই কেরলে প্রায় ৫৬৮ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫৬৮ জন বন্দিকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ৯২৩ জন দণ্ডিত অন্য বন্দীদেরও অস্থায়ীভাবে মুক্তি দেওয়া হতে পারে এবং প্রায় ৩৫০ রিমান্ড বন্দিকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্তি দেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, কেরলের তিনটি কেন্দ্রীয় কারাগার সহ মোট ৫৪ টি কারাগারে ৬,০০০ এরও বেশি সাজাপ্রাপ্ত বন্দী রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.