সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : আমরা সকলেই এই অতি মারি থেকে কিভাবে মুক্তি পাব তার পথ হাতরে বেরাচ্ছি। ঘটনা হল, এর আবার ক্ষতি একমুখী নয়। জোড়া ক্ষতি রয়েছে।

কামড় বসাচ্ছে জীবন ও জীবিকা উভয়ের উপয়েই। জীবনের দিকে চেয়ে প্রশ্ন ওঠে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো কি মহাসমারোহে পালন করা উচিৎ? আবার জীবিকার দিকে তাকালে প্রশ্ন উঠবে একেবারেই বন্ধ করে দিলে বহু মানুষের খাদ্য সংকট আরও বাড়বে বই কমবে না।

উপায়? মধ্যপন্থা। অর্থাৎ দুয়ের সামঞ্জস্য রেখে যদি কিছু করা যায়। চেষ্টা করেছে মাস্টারদা স্মৃতি সংঘ। সেই চেষ্টার প্রকাশেই আত্মপ্রকাশ করোনা শাড়ি, টি শার্ট, কুর্তির।

কেষ্টপুরের ক্লাব ‘মাস্টারদা স্মৃতি সংঘের’ এবারের ভাবনা, ‘মুক্তি, ওরে মুক্তি কোথায় পাবি’। সেই ভাবনার প্রকাশে করোনা শাড়ি, টি শার্ট, কুর্তি পড়ে হল র‍্যাম্প শো। আদতে যা করোনার বার্তাবহ এবং অপরদিকে শিল্পী ও শিল্পকে সঙ্গে নিয়ে চলা। পুজোও হল সঙ্গে রোজগার নিয়ে মহাচিন্তায় পড়ে যাওয়া কিছু মানুষের কিছু মুশকিল আসানও হল।

পুজো কমিটির সদস্য শিমূল মজুমদার জানালেন, ‘এই দুর্গাপুজোকে ঘিরে বহু মানুষের রুজি রোজগার ছিল। পুজোকে ঘিরে বসতো মেলাও। এবছর তা সংকটের মুখে।

সামাজিক দূরত্ব মেনেও বহু ক্লাব মেলা করবেন না এরকমই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। সারা বছর ধরে হাতে বোনা বাংলার তাঁত বালুচুরি বাটিক তসর সিল্ক শাড়ি হ্যান্ড ক্র্যাফটের ঘর সাজানোর জিনিস পাটের ও কাঠের জুয়েলারি চাহিদা ছিল পুজোর মেলায়।

চিন্তিত গ্রামবাংলার শিল্পীরা। গ্রাম বাংলার হস্তশিল্পীদের কিছুটা হলেও মুক্তির উপায় এ বছর আমাদের মণ্ডপের থিমের ভাবনায়। বাংলার হস্তশিল্পীদের দিয়ে তৈরি করানো হচ্ছে করোনা শাড়ি কুর্তি টি-শার্ট মতন পুজোর ফ্যাশনের জামা কাপড়।’

একইসঙ্গে তিনি বলেন , ‘অর্থনৈতিক সংকট থেকে মুক্তির উপায় বাতলাতে আয়োজন করা হয়েছে পুজোর ফ্যাশনের মেলার। আমাদের বিশ্বাস পুজোর আগে করোনা আবহে গ্রাম বাংলার হস্তশিল্পীদের তৈরি করোনার শাড়ি কুর্তি টি-শার্ট চাহিদা থাকবে তুঙ্গে। তাই তার একটা ছোট ট্রেলার দেখানো হল। করোনা শাড়ি কুর্তি টি-শার্টে র‍্যাম্পে হাঁটলেন মডেলরা। পুজোর সময়ে বালুচরি, তসর, বাংলার তাঁত নিয়ে হাজির হবেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাংলার হস্ত শিল্পীরা। সামাজিক দূরত্ব ও বিধি নিষেধ বজায় রেখেই হবে এই মেলা।’

প্রসঙ্গত এর আগে এই ক্লাবই চমক দিয়ে জানিয়েছিল, তাঁদের দুর্গা মণ্ডপের অংশ হতে চলেছেন সুশান্ত সিং রাজপুত। কেমন ভাবে হবে তা দেখাতে ছোট আয়োজন ছিল তাঁদের পক্ষে। তিন সরায় কীভাবে সুশান্ত হয়ে উঠলেন বাঙালি যোদ্ধা কার্ত্তিক তা দেখানো হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।