রাষ্ট্রসংঘ: করোনা সংক্রমণের প্রথম ধাক্কাই এখনও সামলে উঠতে পারেনি বিশ্ব। লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। এবার যদি সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় পর্বের সংক্রমণ শুরু হয় তাহলে সেই ধাক্কা হবে আরও কঠিন।

পড়ুন আরও- চিনা সংস্থার সঙ্গে কাজ নয়, ফোর-জি টেন্ডার বাতিল করল বিএসএনএল

ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের তরফ থেকে সেই ওয়ার্নিং দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যদি এই বছরেই আরও একটা করোনা সংক্রমণের ধাক্কা আসে, তাহলে বিশ্বের ১১.৯ শতাংশ ওয়ার্কিং আওয়ার শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ কাজ হারাতে পারে ৩৪০ মিলিয়ন বা ৩৪ কোটি মানুষ।

পড়ুন আরও- BreakingNews: ফের স্ট্রাইক মোদী সরকারের, সড়ক নির্মানে চিনের সংস্থাকে বরাত নয়

ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের পঞ্চম এডিশনে বলা হয়েছে যে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বছরের বাকি দিনগুলোর ভবিষ্যৎ আনিশ্চিত।

২০২০-এর প্রথমার্ধেই যে ক্ষতি হয়েছে, তা আগে থেকে অনুমান করা সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। যদি প্রথমার্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ধাপে কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোনো যায়, তা সত্বেও ১১.৯ শতাংশ ওয়ার্কিং আওয়ার নষ্ট হবে।

গত কয়েক সপ্তাহে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে যে ছবিটা উঠে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা যাচ্ছে যে এবছরের দ্বিতীয় ভাগে কোথায় কত কর্মসংস্থান হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তাতে দেখা যচ্ছে আমেরিকায় ওয়ার্কিং টাইম নষ্ট হতে ওআরে ১৮.৩ শতাংশ, ইউরোপ ও সেন্ট্রাল এশিয়ায় ১৩.৯ শতাংশ, এশিয়া পেসিফিকে ১৩.৫ শতাংশ, আরবে ১৩.২ শতাংশ ও আফ্রিআয় ১২.১ শতাংশ।

ওই এজেন্সির সমীক্ষায় আরও উঠে এসেছে যে কীভাবে অতিমারীর জেরে প্রভাবিত হয়েছেন মহিলা কর্মীরা। ফলে আগামিদিনে কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ