কলকাতা: এবার ফের করোনার থাবার রাজ্যের আরও এক মন্ত্রীর ঘরে। আক্রান্ত হলেন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের স্ত্রী।

কয়েকদিন আগেই করোনা আক্রান্ত হয়ে তাঁর শ্যালকের মৃত্যু হয়েছে। এরপরই তাঁর স্ত্রী’র শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে।

এর আগে রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু করোনায় আক্রান্ত হন। অন্যদিকে ফলতার বিধায়ক তমোনাশ ঘোষের মৃত্যু হয়েছে করোনায়।

মঙ্গলবার মন্ত্রী জানিয়েছেন, রবিবার আমরি হাসপাতালে তাঁর শ্যালক শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের করোনায় মৃত্যু হয়। এর পরই গোটা পরিবারের করোনা পরীক্ষা করানো হয়। তাতে তাঁর স্ত্রী’র রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
সাধনবাবু জানান, হোম আইসোলেশনে রয়েছে সুপ্তি দেবী। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।

দেশ জুড়েই ক্রমশ সংক্রমন বেড়ে চলেছে। রাজ্যের্‌ও আক্রান্তের সংখ্যা উর্দ্ধমুখী। যদিও গত রবিবারের থেকে সোমবারের হিসেবে কিছুটা কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা।

সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১,৪৩৫ জন৷ গতকাল ছিল ১,৫৬০ জন।এই পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১,৪৪৮ জন৷ গতকাল ছিল ৩০ হাজার ১৩ জন৷ আক্রান্ত ও মৃতের পাশাপাশি অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

একদিনে ৬৩২ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। ফলে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯,২১৩ জন৷ শতাংশ এর হিসেবে ৬১.০৯ শতাংশ৷ যে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, এদের মধ্যে কলকাতারই ১০ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ৮ জন৷ দক্ষিন ২৪ পরগনার ১ জন৷ হাওড়া ২ জন৷ হুগলী ২ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ বাংলায় নতুন করে টেস্ট হয়েছে ১০,৩৫৯ টি৷ গতকাল ছিল ১১,৭০৯ টি৷

তবে এই পর্যন্ত মোট টেস্ট হয়েছে ৬ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৩৮ জনের৷ প্রতি মিলিয়নে টেস্ট ৬,৯৭২ জন৷ যা শতাংশের হিসেবে ৫.০১ শতাংশ৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৫২টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ