কলকাতা: করোনা আক্রান্ত কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষা মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মঙ্গলবার তার করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে৷ পাশাপাশি এই হাসপাতালেরই ৩২ জন চিকিৎসক ও নার্স করোনা আক্রান্ত৷ এর ফলে উদ্বেগ বাড়ছে প্রশাসনের৷ কলকাতা মেডিকেল কলেজ বর্তমানে একটি করোনা হাসপাতাল৷

এখানে ১০০০ বেড রয়েছে৷ করোনা রেগীর পাশাপাশি এই হাসপাতালে হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি ব্লকের নয় ও দশ তলায় করোনা আক্রান্ত চিকিৎসক এবং নার্সদের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে৷ হাসপাতাল সূত্রে খবর, কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষা মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা আক্রান্ত৷

এছাড়া গ্রিন বিল্ডিংয়ের আইসিইউ এবং সিসিইউ’তে টিউটি করেন এমন ১৪ জন চিকিৎসকদের শরীরে করোনা সংক্রমণ মিলেছে৷ আরও প্রায় ২০ জন নার্সও আক্রান্ত৷ সব মিলিয়ে প্রায় ৩২ জন চিকিৎসক ও নার্স করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ করোনা যুদ্ধে প্রথম সারির যোদ্ধারাই যখন আক্রান্ত,তখন চিন্তাটা একটু বেশি প্রশাসনের৷

করোনা আক্রান্ত নার্সের মধ্যে ৬ জন কলকাতা মেডিক্যালেই চিকিৎসাধীন৷ বাকিদের বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা চলছে৷ পাশাপাশি ১৪ জন চিকিৎসকও কলকাতা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন৷ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ যেন রেড জোন, এর আগেও একসঙ্গে ২১ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন৷ তাদের মধ্যে ছিল চিকিৎসক-নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মী৷

সূত্রের খবর,২৪ ঘণ্টায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৭ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল৷ তাদের মধ্যে একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক, হাসপাতালের ২ জন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী ও মেডিসিন বিভাগের ৪ জন আয়া ছিলেন৷ ২১ জনের মধ্যে ৯ জন চিকিৎসক, ৪ জন নার্স, PWD বিভাগের ২ জন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কর্মী ও ৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী৷

কয়েক মাস আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে খোঁজ মিলেছিল দু’জন করোনা আক্রান্তের৷ তাদের মধ্যে একজন প্রসূতি অন্যজন কলকাতা মেডিক্যালেরই এক স্বাস্থ্যকর্মী ছিল৷ সূর্য সেন স্ট্রিটের বাসিন্দা পঞ্চাশোর্ধ্ব ওই ব্যক্তিকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷

রোগীকে প্রথমে জরুরি বিভাগের পর ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে রোগীর চিকিৎসা চলে৷ একদিন পরে ওই রোগীকে ‘বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোলজি’তে স্থানান্তরিত করা হয়৷ সেখান থেকে তাকে এম আর বাঙুরে স্থানান্তরিত করা হয়৷ তারপরই তার মৃত্যু হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।