প্রতীতি ঘোষ, হাবড়া: সঠিক সময়ে অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় বিনা চিকিৎসায় করোনা রোগীর মৃত্যু! আর এই ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করলো রাজ্য স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে।

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হাবড়া হাসপাতালের বাইরে। করোনা আক্রান্ত রোগীকে রেফার করার পরেও হাসপাতালের বাইরে খোলা জায়গায় দীর্ঘ সময় পরে রইলো কীভাবে? উঠছে প্রশ্ন।

তবে অ্যাম্বুলেন্সে’র গাফিলতির কারণেই মৃত্যু হয় ওই করোনা আক্রান্ত রোগীর। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন মৃত রোগীর আত্মীয়রা। অভিযোগ, বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স ডাকার প্রায় চার ঘণ্টা পর হাবড়া হাসপাতালে পৌঁছয় অ্যাম্বুলেন্স। আর ততক্ষণ বাইরেই ফেলে রাখা হয় ওই করোনা আক্রান্ত রোগীকে।

আর এই ঘটনায় ফের একবার প্রশ্নের মুখে রাজ্যের স্বাস্থ্যের হাল! জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরে জ্বর ও বুক ব্যথায় ভুগছিলেন গোবর ডাঙ্গা লক্ষীপুরের বাসিন্দা মধ্য বয়স্কা এক মহিলা। জ্বর কমে গেলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাত করে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে।

এরপরেই ওই রোগীকে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার পরিবারের অন্যান্য আত্মীয়রা। পরিবারের অভিযোগ,দুপুর ১২ টায় হাবড়া হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে আসা হয়। এরপরেই ওই মহিলার করোনা টেস্ট করা হয়। সেই টেস্টের রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসে।

এরপরেই ওই রোগীকে অশোকনগর করোনা হাসপাতালে রেফার করা হয়। ডাকা হয় অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু সেই অ্যাম্বুলেন্স বিকেল ৪টে নাগাদ হাবড়া হাসপাতালে এসে পৌঁছয়। অ্যাম্বুলেন্স আসলেও ড্রাইভার পিপি কিট পরতে আরও ২০ মিনিট সময় নেয়।

প্রায় কয়েক ঘন্টা হাসপাতালের বাইরেই পড়ে থাকতে হয় রোগীকে। অবশেষে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয় করোনা আক্রান্ত রোগীর।

মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সঠিক সময়ে যদি অ্যাম্বুলেন্স হাবড়ায় আসতো তাহলে বাঁচানো যেত তাদের রোগীকে। ফের স্বাস্থ্য দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। যদিও এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ্য দফতর। ইতিমধ্যে ঘটনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I