নয়াদিল্লি: সর্বাধিক করোনা আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে এবার পঞ্চম স্থানে ভারত। শনিবার সকাল পর্যন্তও আক্রান্তের সংখ্যা ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। এবার সেই সংখ্যা পেরিয়ে গেল ২ লক্ষ ৪১ হাজার।

পরিসংখ্যানে স্পেনকে ছাপিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এল ভারত। যাতে উদ্বেগ বাড়ল আরও খানিকটা।

স্পেনে যখন করোন আক্রান্তের সংখ্যা ২,৪০,৯৭৮, তখন ভারতের আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ২,৪১,৯৭০।

শনিবার সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, ভারতে শেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৯৮৮৭ জন। এখনও পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসেবে সর্বাধিক আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৯৪ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ৬৬৪২।

আগের সপ্তাহে চিনকে করোনা আক্রান্তের বিচারে পার করেছিল ভারত। ২৯ মে থেকে প্রত্যেকদিন ৮০০০ বা তার বেশি নতুন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সামনে আসছে। ২ জুন ২ লক্ষ পেরিয়ে যায় আক্রান্তের সংখ্যা। এখন প্রত্যেক ১৫ দিনে দ্বিগুণ হচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কার বার্তা দিয়ে বলছেন, এই তালিকায় ভারত আরও উপরে উঠে আসবে, অর্থাৎ ভারতে সংক্রমণ আরও বেশি ছড়াবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে ইরান, জার্মানি ও ফ্রান্সকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত। চলতি সপ্তাহের শেষে স্পেনকেও পিছনে ফেলে দেবে ভারত। জুনের মাঝামাথি ইউকে-কে পেরিয়ে যাবে।

চিনের একদল গবেষক জানিয়েছেন, ভারতে জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে দিনে ১৫ হাজার করে বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা। জুনের শুরুতে বর্তমানে ৮০০০ এর বেশি করে হচ্ছে সংক্রমণ। ফলে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে চিন্তার ভাঁজ স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কপালে।

যদিও এই আতঙ্কের মধ্যেও স্বস্তির খবর জানাচ্ছে এইমসের ডিরেক্টর, রণদীপ গুলেরিয়া।

তিনি জানিয়েছেন, করোনা প্রতিষেধক নিয়ে আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না মানুষকে। খুব বেশি হলে দু থেকে তিনমাস। এর মধ্যেই মারণ ভাইরাসকে জব্দ করার প্রতিষেধক বের হতে পারে বলে জানিয়েছেন এইমসের ডিরেক্টরল। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চিকিৎসক রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন, করোনা যেভাবে বাড়ছে সেই গতি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনাটাই বড় চ্যালেঞ্জ আমাদের কাছে। আক্রান্তের সংখ্যা এমন হওয়া উচিত নয় যে, রোগীদের চিকিৎসা করা বা হাসপাতালে ভর্তি করাটা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প