কলকাতা: বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা ২,৩৭৭ জন৷ এর মধ্যে শুধু কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে ১,০৫৭ জন৷ মোট আক্রান্ত ৩১ হাজারের বেশি৷ তবে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৪ হাজারের বেশি মানুশ। শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,শুধু কলকাতাতেই গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের৷

বৃহস্পতিবার ছিল ১৬ জন৷ বুধবার এই সংখ্যাটা ছিল ১৯ জন৷ ফলে এই পর্যন্ত শুধু কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে ১,০৫৭ জনের৷ এছাড়া কলকাতাতে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭১ জন৷ শুক্রবার ছিল ৬১৫ জন৷ বুধবার ছিল৬১৯ জন৷ মঙ্গলবার ছিল ৭১১ জন৷ তবে এই পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৩১ হাজার ৭৫৬ জন৷

তথ্য অনুযায়ী, একদিনে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা একদিনে ৮৮ জন বেড়ে মোট সংখ্যাটা হল ৬,৬৪৫ জন৷ শুক্রবার ছিল ৬,৫৫৭ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৬,৫৯৮ জন৷ বুধবার ছিল ৬,৬৩৫ জন৷

একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৫৬২ জন৷ ফলে এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২৪ হাজার ০৫৪ জন৷

শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,বাংলায় একদিনে কিছুটা কমল মৃতের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের৷ শুক্রবার ছিল ৬০ জন৷ বৃহস্পতিবার সংখ্যাটা ছিল ৫৬ জনে৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২,৩৭৭ জনের৷ একদিনে আক্রান্ত তিন হাজারের বেশি৷

পরিসংখ্যান অনুযায়ী,গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৩,০৭৪ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩,০৩৫ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২,৯৯৭ জন৷ তবে এই পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৪৩২ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটাও বেড়ে হয়েছে ২৭ হাজার ২১৯ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৩৬৯ জন৷

গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২,৬৪৭ জন৷ শুক্রবার ছিল ২,৫৭২ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২৪৯৭ জন৷ তবে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৩ হাজার ৮৩৬ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭৩.৯১ শতাংশ৷ শুক্রবার ছিল ৭৩.৫৭ শতাংশ৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৭৩.২৫ শতাংশ৷ বুধবার ছিল ৭২.৯৬ জন৷ অর্থাৎ বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ হয়ে উঠার হার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।