নয়াদিল্লি : ইনসুরেন্স রেগুলেটরি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা আইআরডিএআইয়ের অনুমোদন পেয়ে বিমা সংস্থাগুলি চালু করল করোনা কবচ স্বাস্থ্যবিমা। শুক্রবার অর্থাৎ ১০ই জুলাই থেকেই এই বিমা চালু করা হল। আইআরডিএআই গত ২৬শে জুন একটি সার্কুলার বা বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল।

সেখানেই করোনা স্বাস্থ্য বিমা সংক্রান্ত গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়। এই পলিসি সাধারণ মানুষের উপকার করবে বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা খরচ এই বিমার আওতায় আসবে বলে জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে বিমার মেয়াদ, প্রিমিয়ামের পরিমাণ বা অন্যান্য সুবিধাগুলি তুলে ধরা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য বিমা সংস্থাগুলিকে স্বল্প মেয়াদের পলিসি আনতে বলেছিল আইআরডিএআই। রিএমবার্সমেন্ট নির্ভর পলিসিগুলি স্ট্যান্ডার্ড কোভিড ১৯ প্রোডাক্ট হিসেবে লঞ্চ করা হয়েছে।

পলিসির মেয়াদ- কোভিড স্ট্যান্ডার্ড হেল্থ পলিসি সাড়ে তিন মাস ও সাড়ে ছ মাসের মেয়াদের রাখা হয়েচে। এছাড়াও থাকছে সাড়ে নয় মাসের মেয়াদও।

বিমা কেনার পর গ্রাহক হাসপাতালের খরচ এই বিমার আওতায় পেয়ে যাবেন। মূল্য- এই পলিসির প্রিমিয়াম প্যান ইন্ডিয়া নির্ভর ও জোন ভিত্তিক পৃথক পলিসি প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়নি। এই বিমার আওতায় সর্বনিম্ন ৫০ হাজার ও সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকার পলিসি করানো যাবে।

বয়সসীমা- এই বিমা করানোর জন্য সর্বনিম্ন বয়স হবে হবে ১৮ বছর। অন্যদিকে সর্বোচ্চ ৬৫ বছর পর্যন্ত বিমার আওতায় আসা যাবে। পরিবার তালিকা ভুক্ত থাকবে সন্তানরাও। এই পলিসি গ্রাহকের সন্তান ১দিন বয়স থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত আওতাভুক্ত হতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

সুবিধা- এই বিমার সুবিধা হিসেবে জানানো হয়েছে করোনা কবচ পলিসি ক্ষতিপূরণ ভিত্তিক বিমা। হাসপাতালের রুম ও থাকার খরচ এই বিমার আওতায় আওতায় আনা হয়েছে। পিপিই কিট, গ্লাভস, মাস্ক সহ অন্যান্য খরচ এর মধ্যে রয়েছে।

বাড়িতে ১৪দিন আইসোলেশনে থাকার খরচও বহন করবে এই বিমা। অক্সিমিটার, অক্সিজেন সিলিন্ডার ও নেবুলাইজারের খরচ এই পলিসির আওতায় ফেলা হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ