করোনা ভাইরাস

কলকাতা : গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১৯ হাজার ২১৬ জন নতুন করে করোনা সংক্রমিত (Corona Infection)  হয়েছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের সর্বশেষ রিপোর্ট তাই বলছে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছিলেন, “আগামী ১৫ দিন রাজ্যে করোনার প্রকোপ বাড়বে।” বাস্তবে তা-ই হল। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। করোনা সংক্রমণ রোজই আগের দিনের রেকর্ড ভাঙছে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে ১৯ হাজার করোনা সংক্রমিত হওয়ার ঘটনা এখনও পর্যন্ত রাজ্যের করোনা সংক্রমণের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। তবে একইভাবে সুস্থতার হারও বেড়েছে বলে স্বাস্থ্য দফতরের (State Health Department) রিপোর্টে জানানো হয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ১১২ জন।

শুক্রবার রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৯ হাজার ২১৬ জন। তাঁদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৫৭ জনই উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাসিন্দা। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে ফের প্রথম স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা। করোনা সংক্রমণে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা (Kolkata) । কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৯১৫ জন। সংক্রমণের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে হুগলি জেলা । একদিনে নতুন করে হুগলিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯২ জন। সংক্রমণের নিরিখে দক্ষিণ ২৪ পরগনা রয়েছে চতুর্থ স্থানে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত সেখানে ৯৭০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের (North Bengal) করোনা সংক্রমণের হারও চিন্তা বাড়াচ্ছে । গত ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিংয়ে সংক্রমিত হয়েছেন ৬৪১ জন। শুক্রবার রাজ্যের প্রায় সব জেলা থেকেই নতুন করে করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯,৫৪, ২৮২।

রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ১১২ জন। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার ৩৩ জন , কলকাতার ২৮ জন রয়েছেন। এ পর্যন্ত রাজ্যে করোনা সংক্রমণে সাকুল্যে মারা গেছেন ১২ হাজার ৭৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ হাজার ৭৮০ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.