কলকাতা: বাংলায় একদিনে কিছুটা কমল সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের৷ আক্রান্ত আরও ৩,৪৮৯ জন৷ অনেক দিন পর দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যাটা সাড়ে তিন হাজারের নিচে নেমে এল৷ ফলে কমছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা৷ বাড়ছে সুস্থতার হার৷

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ৩৪৮৯ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৩৫০৭ জন৷ তুলনামূলক সামান্য কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা৷ তবে সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯৮৭ জন৷ একদিনে বাংলায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৫২ জন৷

ফলে দৈনিক মৃতের সংখ্যাটা নিম্নমুখী৷ তবে সব মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ৮,২৭০ জন৷ মৃত ৪৬ জনের মধ্যে কলকাতার ১৬ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায়ও ১২ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৩ জন৷ হাওড়ার ১ জন৷ হুগলি ১ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ ঝাড়গ্রাম ১ জন৷ বীরভূম ২ জন৷

নদিয়া ২ জন৷ মুর্শিদাবাদ ২ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷ রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৪৯৬ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৩,৫৩৭ জন৷ তুলনামূলক কম৷ তবুও বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ১০০ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.০৬ শতাংশ৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে ২৫ হাজারের নিচে নেমে এল৷ তথ্য অনুযায়ী,২৪ হাজার ৬১৭ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২৪ হাজার ৬৭০ জন৷ তুলনামূলক ৫৩ জন কম৷ এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে ৫৭ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী ৫৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৬৪ টি৷

ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৬৩,৮২৬ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৫ হাজার ১২৭ টি৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৫ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷

আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ বর্তমানে ১০২ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৪৫ টি হাসপাতাল ও ৫৭ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১৩,৫৩৪ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,৮০৯টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ১০৯০টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।