নয়াদিল্লি: ঘোর সংকটে বিশ্ব। করোনা ভাইরাসের করাল গ্রাস ভারতেও। দেশে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে থেকে একাধিক রাজ্য থেকে আসছে নতুন করে সংক্রামিত হয়ে পড়ার খবর। বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৬১৯। কোভিড-১৯ এর আক্রমণে দেশে মৃত বেড়ে ৩৫।

এই প্রথম অসম ও ঝাড়খন্ডে করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন চলছে। বারবার কেন্দ্র-রাজ্য সরকারগুলির তরফে সোশ্যাল ডিসটেন্সসিংয়ের শর্ত মেনে চলতে বলা হচ্ছে নাগরিকদের। এরপরেও আদৌ কি সচেতন হচ্ছি আমরা। দিল্লির নিজামুদ্দিন এর ঘটনায় সেই প্রশ্ন আবারও উঠেছে। একইসঙ্গে দেশে বেড়েই চলেছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও।

বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশজুড়ে ১৬১৯ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারণ ভাইরাসের বলি হয়েছেন এখন পর্যন্ত ৩৫ জন। বুধবার সকাল পর্যন্ত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দশজন ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে অন্ধ্রপ্রদেশে ৪০, বিহারে ১৬, চণ্ডীগড়ে ১৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারণ করোনা থাবা বসিয়েছে লাদাখে। বুধবার সকাল পর্যন্ত লাদাখের ১৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

আক্রান্তের সংখ্যা বেশি রাজধানী দিল্লিতে। দিল্লিতে এখনো পর্যন্ত ৯৭ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও গোয়ায় ৫, গুজরাটে ৭৪, হরিয়ানায় ৪৩, হিমাচলপ্রদেশে ৩ জম্মু-কাশ্মীরে ৫৫ জন কোভিড১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন।

এই প্রথম অসম ও ঝাড়খণ্ডেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার খবর মিলেছে. ইতিমধ্যেই ওই দুই রাজ্যে একজন করে করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে। দক্ষিণের রাজ্য কর্নাটকেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই কর্নাটকের একজন ১০১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার সকাল পর্যন্ত কেরালায় ১৪০ জন কারণ আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে।

একইভাবে মধ্যপ্রদেশে ৬৬, তামিলনাড়ুতে ১২৪, তেলেঙ্গানায় ৯৩, পাঞ্জাবে ৪১, রাজস্থানে ৯৩, উত্তরপ্রদেশে ১০১, উত্তরাখণ্ডের ৭,পুদুচেরিতে এক, ওড়িশায় ৩ এবং ও মনিপুরে একজন করে করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে।

এখনো পর্যন্ত দেশের মধ্যে সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্যে এখনো পর্যন্ত ৩০২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গেও বাড়ছে সংক্রমণ ২৪ ঘন্টায় পশ্চিমবঙ্গে ১৫ জন নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বাংলায় এখনো পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭. পশ্চিমবঙ্গে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫.