আগরতলা ও কোহিমা: নিকটেই বাংলাদেশ সীমান্ত। প্রতিবেশী দেশে করোনার বিরাট সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। হু আগেই সতর্ক করেছিল দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে। তিনদিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ঘেরা ত্রিপুরা সরকার আগেই ‘ করোনা মুক্ত ‘ বলে ঘোষণা করেও পিছু হটেছে। এই রাজ্যের পাশপাশি উত্তর পূর্বের সবকটি রাজ্যেও করোনার থাবা পড়ল।

সর্বশেষ নাগাল্যান্ডেও করোনা রোগী চিহ্নিত হলেন। ফলে বাংলাদেশ, মায়ানমার, চিন, ভুটান সীমান্তবর্তী উত্তর পূর্বাঞ্চল এখন অনিরাপদ।

পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে উত্তর পূর্বের সর্বাধিক করোনা সংক্রামিত রাজ্য হল অসম। ৫০০ ছাড়িয়ে আরও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তারপরেই ত্রিপুরা। এই রাজ্যে ১৯৮ জন করোনা রোগী চিহ্নিত। মেঘালয়ে ১৫ জন, আর মিজোরামে একজন রোগী। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই চার রাজ্য নিয়েই উদ্বেগ বেশি।

এছাড়াও চিন ও ভুটান, মায়ানমারের সীমান্তবর্তী রাজ্য লাগোয়া অরুণাচল প্রদেশে, সিকিম, মণিপুরে ছড়াতে শুরু করেছে করোনা। মাত্র এক সপ্তাহ আগেই এই সব রাজ্যের বাসিন্দারা ছিলেন উদ্বেগহীন।

তবে অসমে ও ত্রিপুরায় করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকে। সংক্রমণের বিস্তার এখন ৮টি রাজ্য জুড়েই। নাগাল্যান্ডে করোনা রোগীর সন্ধান মেলায় চিন্তার কালো মেঘ উত্তর পূর্বের আকাশে।

উত্তর পূর্ব ভারতের সবথেকে ঘনিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গ। করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার এই রাজ্যেও উদ্বেগজনক বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও