প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : ফের করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলল উত্তর ২৪ পরগনার গারুলিয়া পুরসভা এলাকায়। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন এক যুবক। করোনা আক্রান্ত ওই যুবক উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গারুলিয়া পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই যুবককে রাজারহাটের করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই যুবকের পরিবারের ৭ জন সদস্যকে বারাসাতের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন বছর ২১ এর ওই যুবক। সম্প্রতি জ্বরে আক্রান্ত হলে কলকাতা থেকে গাড়ি ভাড়া করে চলতি মাসের ১৩ মে নিজের বাড়িতে চলে আসেন তিনি । এরপর ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ওই যুবকের চিকিৎসা চলে। বৃহস্পতিবার ওই যুবকের লালারস পরীক্ষা করা হয়। শুক্রবার তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়। এরপরই তাকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজারহাটের করোনা হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা শুরু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে গারুলিয়া পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে।

মনে করা হচ্ছে কলকাতায় কাজের সূত্রেই কোন ভাবে ওই যুবক সংক্রমিত হয়ে ছিলেন। ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় গারুলিয়া পুরসভার পৌর প্রশাসক সঞ্জয় সিং বলেন, “আমরা এলাকাবাসীর পাশে আছি। মানুষের যা প্রয়োজন সব ব্যবস্থা করা হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা যাতে বাইরে ঘোরাফেরা না করে সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ করোনা আক্রান্তের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় রাস্তা ব্যারিকেড করে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা যাতে কোন ভাবেই আতঙ্কিত না হন, তা বোঝানো হচ্ছে নাগরিকদের ।”

এই ঘটনায় আতঙ্কিত ওই এলাকার বাসিন্দারা। তারা বলেন, কি করে নিজেদের সুরক্ষিত রাখব বুঝতে পারছি না। এরকম ঘটনা এখানে ঘটবে ভাবিনি। আমরা ভয়ে আছি । যদিও আক্রান্তের পরিবারের সদস্যদের সবাইকে বারাসাত কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে গিয়েছে প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে।

ওই মোবাইল নম্বরে ফোন করলে তাদের জরুরি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য স্বেচ্ছাসেবকরা এলাকাবাসীর কাছে পৌঁছে দিয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে দিন যত যাচ্ছে ততই গারুলিয়া পুরসভা এলাকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে গারুলিয়ায় তিনজন করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলল। যদিও তাদের মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে। যা কিনা অবশ্যই স্বস্তির খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I