স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: পুজোর মরশুম শেষ, তবুও কোথাও যেন একটা খামতি রয়ে গিয়েছে। কারণ বিশ্বব্যাপী মারণ ব্যাধি করোনার থাবায় ত্রস্ত গোটা দুনিয়া। আর এই করোনা পরিস্থিতি থাবা বসিয়েছে বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোতেও।

করোনার কারণে চলতি পুজোর মরশুমে চাহিদা কমেছে শোলার কদম ফুলের। মূলত গ্রাম‍্য‍ এলাকার বিভিন্ন বাড়িগুলোতে‌ দরজার সামনে লাগিয়ে রাখতে দেখা যায় বিশেষ এই ফুলকে।

তাই প্রতি বছর‌ দশমী ও লক্ষ্মী পুজো‌ এলেই শোলার কদম ফুলের ব‍্যাপক চাহিদা বেড়ে যায়। বিশেষ করে গ্রাম‍্য‍ এলাকার মানুষের কাছে এই ফুলের কদর একটু বেশি‌ই রয়েছে।

তাই এই সময় এলেই বিশাল পলিথিনের প‍্যাকেটে কয়েক‌শো কদম ফুল নিয়ে সাইকেলে বেরিয়ে পড়েন জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের পাদ্রি কুঠি এলাকার বাসিন্দা দীপেন মালাকার। বাড়িতে নিজেরাই তৈরি করে‌ন শোলার এই কদম ফুল। বাড়ির মহিলা‌রাও এগুলো তৈরিতে সাহায্য করে‌ থাকেন। কিন্তু এবছর যেনও হঠাৎ করেই সবকিছু ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে। সৌজন্যে অবশ্যই ‘করোনা’ এবং ‘লকডাউন’।

শোলা ব্যবসায়ী দীপেন মালাকারের বলেন, ”এমনি‌তে সারা বছর শোলার কদম ফুলের খুব একটা চাহিদা থাকে না। তবে দশমী ও লক্ষ্মী পুজো‌কে ঘিরেই চলে ব‍্যবসা। তবে করোনা পরিস্থিতির জন্য শোলার কদম ফুলের চাহিদা এবার অনেকটাই কমেগিয়েছে। ব্যবসাতেও মন্দা দেখা দিয়েছে। করোনার কারণে অনেকরই কাজকর্ম না থাকায় তাঁরা নমঃ নমঃ করেই এবছর সারছেন পুজো। ফলে প্রতি বছরের মতো এবছর সেভাবে লক্ষী লাভ হচ্ছে না।”

যদিও দীপেন মালাকার একা নন! করোনার থাবায় জেলার অসংখ্য দীপেনদের অবস্থা একই রকম, যেন মাছি তাড়ানোর যোগার। তবে ধীরেধীরে সবকিছু আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে সেই আশাতেই বুক বাঁধছেন তাঁরা।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।