ডায়মন্ডহারবার: করোনার থাবা বসিয়েছে মাছ রফতানিতে। ফলে রীতিমতো লোকসানের মুখে পড়েছেন দক্ষিণ ২৪পরগনার বেশকিছু মাছ ব্যবসায়ী। কারণ এরা যেসব দেশে মাছ রফতানি করে সেখানকার রেস্তোরাঁগুলি বন্ধ থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে যেটুকু মাছ রফতানি হচ্ছে তা অনেক কম দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছে রপ্তানিকারকরা।

এই পরিস্থিতিতে প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ কম দামে মাছ বিকোচ্ছে বলে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য। মূলত পমফ্রেট, বাগদা চিংড়ি ইত্যাদি মাছ বিদেশে যায়। ছোট সাইজের পমফ্রেট (৭০-৮০ গ্রামের) সেগুলো চলে আসে স্থানীয় বাজারে। এর চেয়ে বড় মাপের মাছগুলি রফতানি হয়ে যায়। এই ধরনের মাছের যোগানে কোন ঘাটতি নেই অথচ করোনা পরিস্থিতিতে মাছ রফতানি সংকট দেখা গিয়েছে।

সাধারণত এইসব ছোটখাটো মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে রপ্তানিকারকরা মাছ কিনে থাকে। আর মেরিন প্রোডাক্ট এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখে। এখানকার এক কর্তা বর্তমান এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন।

তার মতে এই পরিস্থিতিতে মৎস্য ব্যবসায়ীরা ৩০ শতাংশ কম দাম পাচ্ছে। জানা গিয়েছে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যেখানে ১০০-১৫০ গ্রাম ওজনের পমফ্রেট ৫০০-৫৫০ টাকায় বিক্রি হতো সেগুলি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকায়। আরো একটু বড় মাছ ২০০-৩০০ গ্রামের ওজনের যা আগে বিক্রি হতো ৭০০-৮০০ টাকায় সেগুলি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকায়।

একইরকম ভাবে বাগদা চিংড়ি আগে যেখানে বিক্রি হতো ১২০০-১৩০০ টাকায় সেটাই এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকায়। এখান থেকে বিদেশে মাছ রফতানি গত দু-তিন বছর কিছুটা বাড়লেও এবারে করোনার থাবায় সেই পরিস্থিতি ধাক্কা খেয়েছে।

রফতানি উন্নয়ন সংস্থা এক কর্তার মতে, বিদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলি আপাতত খোলা হলেও সেখানে তেমন উপভোক্তাদের ভিড় নেই। দেখা গিয়েছে যে পরিমাণ মাছ ইউরোপ ভিয়েতনাম জাপান ইত্যাদি দেশে যেত সেখানে রফতানি কমে গিয়েছে। আবার সবকিছু খুলে গেলে পরিস্থিতি ফের স্বাভাবিক হবে বলে তার আশা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও