কলকাতা: বাংলায় বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা৷ মৃত্যুর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না চিকিৎসকেরাও৷ অষ্টমীতেও করোনায় কেড়ে নিল এক চিকিৎসকের প্রাণ৷ এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৬২ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর৷

সূত্রের খবর, আজ রবিবার উত্তর ২৪ পরগণার বারাসতের একটি বেসরকারি করোনা হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে এক চিকিৎসকের৷ বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর৷ ESI হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন তিনি৷ অ্যাডিশনাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ মেডিকেল অফিসারের দায়িত্বে থাকাকালীন ওই চিকিৎসক অবসর নেন৷

এর আগেও এক করোনা যোদ্ধার মৃত্যু হয়৷ বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে অর্থোপেডিক সার্জন সুরজিৎ নন্দীর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনা৷

সুরজিৎবাবু করোনা আক্রান্ত হয়ে আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন৷ সেখানেই তার মৃত্যু হয়৷ বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। থাকতেন হরিদেবপুরে৷ নিজে করোনা আক্রান্ত হওয়ার আগে পর্যন্ত সামনের সারিতে থেকে করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন চিকিৎসক সুরজিৎ নন্দী৷

তারও আগে একদিনে শহরে করোনা আক্রান্ত দুই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল৷ মৃত দুই চিকিৎসকই করোনার বিরুদ্ধে সামনের সারিতে থেকে লড়াই করেছিলেন৷ করোনা আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন চিকিৎসক প্রবাল গায়েন৷ তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের AMO ছিলেন৷ করোনা আক্রান্ত হয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন৷ সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়৷

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত অপর চিকিৎসকের নাম অপূর্ব সাহা৷ তিনি এসএসকেএম হাসপাতালের সিটিভিএস বিভাগের প্রাক্তন আরএমও। তারও আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে শহরে আরও কয়েকজন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে৷ তাদের মধ্যে ছিলেন চিকিৎসক সঞ্জয় সেন৷ ৬৫ বছরের এই চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়ে মেডিকা হাসপাতালের ভর্তি হয়েছিলেন৷ অবস্থার অবনতি হলে রাখা হয়েছিল ইকমো সাপোর্টে৷ কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি৷

জানা গিয়েছিল, স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সেন সল্টলেক আমরি হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ এছাড়া আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন৷

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।