বিশেষ প্রতিবেদন: করোনাভাইরাসের হামলায় দক্ষিণ এশিয়া কাঁপছে। বিশেষ করে ভারত এবং সংলগ্ন পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তিনটি দেশই আপাতত করোনার থাবায় ক্ষতবিক্ষত। তবে তুলনামূলক নিরাপদ শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, নেপাল এবং ভুটান। তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা, দক্ষিণ এশিয়ার ভুটানই একমাত্র দেশ। যেখানে করোনায় এখনও মৃত্যু হয়নি। আর আফগানিস্তান এবং মায়ানমারের পরিসংখ্যান নিয়েও চিন্তা বাড়ছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের মঙ্গলবার পর্যন্ত হিসেব: ১.ভারত- আক্রান্ত ২ লক্ষ পার করেছে। মৃত ৫ হাজারের অধিক। ২.পাকিস্তান- আক্রান্ত ৮০ হাজারের বেশি। মৃত ১,৬০০ অধিক ৩. বাংলাদেশ-আক্রান্ত ৫২ হাজারের বেশি। মৃত ৭০০ ছাড়িয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণে উঠে আসছে, তিনটি প্রতিবেশী দেশেই করোনার বিপুল আক্রমণ। জনজীবন বিপর্যস্ত ।

১. ভারত: সর্বাধিক করোনা আক্রান্ত মহারাষ্ট্র। আক্রান্ত ৭০ হাজারের বেশি। মৃত ২০০০ জনের অধিক। তার পরেই আছে গুজরাট। এখানে আক্রান্ত ১৭০০০ পেরিয়েছে। মৃত ১০০০ জনের বেশি।

২. পাকিস্তান: সর্বাধিক করোনা আক্রান্ত হল সিন্ধ প্রদেশ। সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৩১ হাজারের বেশি জনের মধ্যে। তার পরেই আসছে পাঞ্জাব প্রদেশের নাম। এখানে আক্রান্ত ২৭ হাজারের বেশি। সব মিলে পুরো পাকিস্তানে মৃত ১৬০০ জনের কিছু বেশি।

৩. বাংলাদেশ: খোদ রাজধানী বিপদের মুখে। ২৩ হাজার করোনা রোগী নিয়ে আতঙ্কের নগর ঢাকা। এই বিভাগেই সর্বাধিক করোনা সংক্রমণ। তার পরেই আসছে ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ। এখানে আক্রান্ত ৩০০০ পার করেছে। পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়ছে চট্টগ্রাম বিভাগ নিয়েও। এখানে আক্রান্ত ২ হাজারের অধিক।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছিল, দক্ষিণ এশিয়াকেই করোনা তার পরবর্তী হামলার কেন্দ্র করবে। আপাতত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিলে মারণ তাণ্ডব চালাচ্ছে এই ভাইরাস। এর পর দক্ষিণ এশিয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, হু সূত্র মেনে লকডাউন চালু করা হয়নি, তার ফল পাচ্ছেন তিন দেশের বাসিন্দারা। এখন ভারতে লকডাউন শিথিল ও বাংলাদেশে সাধারণ ছুটি তুলে নেওয়ার ফল আরও মারাত্মক হতে চলেছে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV