কলকাতা: বাংলায় একধাক্কায় দৈনিক সংক্রমণ নেমে এল ২ হাজারের নিচে৷ গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত মাত্র ১,৮৩৪ জন৷ মৃত্যু হয়েছে আরও ৪৩ জনের৷ আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক বেশি৷ তবে এদিন টেস্টও হয়েছে প্রায় দশ হাজার কম৷

সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ১,৮৩৪ জন৷ রবিবার ছিল ২,৫৮০ জন৷ তুলনামূলক অনেকটাই কম৷ তুবও রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ২৩ হাজার ৬২৯ জন৷ তবে গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের৷ রবিবার ছিল ৪৭ জন৷

সব মিলিয়ে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যাটা ৯ হাজার ১০০ জন৷ মৃত ৪৩ জনের মধ্যে কলকাতারই ১৬ জন৷ উত্তর ২৪ পরগণার ৫ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৩ জন৷ হাওড়ার ৪ জন৷ হুগলি ৫ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ৩ জন৷ নদিয়া ১ জন৷ মালদা ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ৪ জন৷

একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২,৯৮০ জন৷ রবিবার ছিল ২,৯৯৪ জন৷ ফলে রাজ্যে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৪৫ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৯৪.১৮ শতাংশ৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে বাইশ হাজারের নিচে নেমে এল৷ যা বাংলার স্বস্তি৷ তথ্য অনুযায়ী, ২১ হাজার ৩৮৪ জন৷

রবিবার ছিল ২২ হাজার ৫৭৩ জন৷ তুলনামূলক ১,১৮৯ জন কম৷ অনেক দিন পর একদিনে এক হাজারের বেশি কমেছে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত৷ এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে সাড়ে ৬৪ লক্ষের বেশি৷

তথ্য অনুযায়ী ৬৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৬৭ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৭১,৭২৪ জন৷ একদিনে ৩১ হাজার ৬৭১ টি৷ রবিবার ছিল ৪১ হাজার ২১৮টি৷ তুলনামূলক প্রায় দশ হাজার কম৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৬ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বি: দ্র: – প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে যে বুলেটিন প্রকাশিত হয়,তা আগের দিন সকাল ৯ টা থেকে তার পরের দিনের সকাল ৯ টা পর্যন্ত পরিসংখ্যান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।