ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। আশঙ্কা করা হচ্ছিল তবে কি গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গেল ভারতে? এবার সেই ধারনা নাকচ করে দিল ওয়ার্ল্ড হেলথ ওর্গানাইজেশন। জানাল ভারতে এখনও সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়নি।

‘হু’ এর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রধান আধিকারিক পুনম ক্ষেত্রপাল সিং জানিয়েছেন, যখন সংক্রমণের উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন সেই দেশে সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলা যেতে পারে। কিন্তু ভারতের ক্ষেত্রে বর্তমানে যে সমস্ত সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাতে তার উৎস সন্ধান করা সম্ভব হচ্ছে। তাই ভারতে যে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে, একথা এখনই বলা যাচ্ছে না।

তবে ভারত যে পর্যায়েই থাকুক না কেন, করোনাকে রুখতে বিশেষ কিছু নির্দেশ পালনের কথা জানিয়েছেন পুনম ক্ষেত্রপাল সিং। তিনি জানিয়েছেন, আক্রান্তদের দ্রুত খুঁজে বের করে তাঁদের আইসোলেশন অথবা কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা করাতে হবে।

পাশাপাশি করোনা ঠেকাতে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত সাফ করা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার কথা বলা হচ্ছে। করোনা রুখতে লকডাউন মেনে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আর এ বিষয়ে প্রচার চলছে দেশজুড়ে।

উল্লেখ্য, বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫২০০। এর মধ্যে ৪০১ জন সুস্থ হয়ে গিয়েছে।৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।