কলকাতাঃ রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও দুজন। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ওই দুই ব্যক্তি বেলেঘাটা আইডিতে চিকিৎসাধীন বলে জানা গিয়েছে। সোমবার রাতেই তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরেই বেলেঘাটা আইডিতে তাঁদের চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে।

এর আগে রাজ্যে মোট পাঁচজনের শরীরের ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে সোমবার একজনের মৃত্যু হয়। নতুন করে যে দুজনের শরীরের এই ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে, মঙ্গলবার তাদের নমুনা আরও একবার পরীক্ষা করা হবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য। জানা গিয়েছে, এই দুই ব্যক্তির মধ্যে একজন লন্ডন থেকে এসেছেন সম্প্রতি। অন্য একজন মিশর থেকে কলকাতায় এসেছেন বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে সোমবার দমদমের বাসিন্দা যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তার এক সহকর্মী ও প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি ওই মৃত ব্যক্তির সঙ্গে একই অফিসে কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। ফেয়ারলি প্লেসে কাজ করতেন দুজনেই। এরপরেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। জানা গিয়েছে, প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ডাক্তারদের অনুমান, সম্ভবত এই ব্যক্তি করোনাতেই আক্রান্ত হয়েছে। তবে নিশ্চিত হতে আজ মঙ্গলবার তার করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করা হবে।

উল্লেখ্য, সোমবার রাত থেকেই রাজ্যে দুজনের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছিল। বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। তবে মঙ্গলবার এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এদিকে দেশজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সারাদেশে মোট ৫১১ জনের শরীরে সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশের ৪০ টি শহরের এই মুহূর্তে চলছে লকডাউন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সব রকমের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। রাজ্যের তরফেও বাংলার মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, আজ, মঙ্গলবার ২৪ মার্চ থেকে মহানগরের রাস্তায় ২০টি জেট-স্প্রে গাড়ি দিয়ে জীবাণুনাশক রাসায়নিক জলে মিশিয়ে ছড়ানো শুরু হল। করোনার আঁতুর ঘর ইউহান প্রদেশে ব্যাপক হারে এই সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড মিশ্রিত স্প্রে ছড়িয়েই ভাইরাসকে ধ্বংস করে মৃত্যুর হার কমিয়ে এনেছে চিন।

মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, কলকাতাতেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জেট-স্প্রে মেশিন ছাড়াও করোনা সংক্রমিত হতে পারে এমন সন্দেহে চিহ্নিত বহুতলের বিভিন্ন ফ্লোরে ওই রাসায়নিক বিশেষ ধরনের ফগিং মেশিন দিয়ে ছড়িয়ে ভাইরাস ধ্বংস করবেন পুরসভার কর্মীরা।জরুরিভিত্তিতে অর্ডার দিয়ে একসঙ্গে ওই ২০টি বিশেষ ধরনের মেশিন নিয়ে আসা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।