কলকাতা: বাংলায় একদিনে কমল আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা৷ সোমবারের হিসেব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজারের নিচে নেমে আসলো৷ রবিবার থেকে সোমবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের৷ সেখানে গতকাল রবিবার ছিল ২৬ জন৷ এই পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ৯৫৬ জন৷ গতকাল রবিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯৩২ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা হল ১১,২৭৯ জন৷ গতকাল রবিবার ছিল ১০,৫০০ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৭৭৯ জন৷

সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১,৪৩৫ জন৷ গতকাল ছিল ১,৫৬০ জন।এই পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১,৪৪৮ জন৷ গতকাল ছিল ৩০ হাজার ১৩ জন৷ আক্রান্ত ও মৃতের পাশাপাশি অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

একদিনে ৬৩২ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। ফলে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯,২১৩ জন৷ শতাংশ এর হিসেবে ৬১.০৯ শতাংশ৷ যে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, এদের মধ্যে কলকাতারই ১০ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ৮ জন৷ দক্ষিন ২৪ পরগনার ১ জন৷ হাওড়া ২ জন৷ হুগলী ২ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ বাংলায় নতুন করে টেস্ট হয়েছে ১০,৩৫৯ টি৷ গতকাল ছিল ১১,৭০৯ টি৷

তবে এই পর্যন্ত মোট টেস্ট হয়েছে ৬ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৩৮ জনের৷ প্রতি মিলিয়নে টেস্ট ৬,৯৭২ জন৷ যা শতাংশের হিসেবে ৫.০১ শতাংশ৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৫২টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বাংলায় ৮০ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ২৬ টি হাসপাতাল ও ৫৪ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৯৪৮টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৩৯৫টি৷

কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷ এই পর্যন্ত শুধু কলকাতায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫০৯ জন৷ মোট আক্রান্ত ১০,০২৬ জন৷ এর মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় শহরে আক্রান্ত ৪১৮ জন৷ নতুন করে ছাড়া পেয়েছেন ১৮১ জন৷ ফলে কলকাতায় মোট ছাড়া পেলেন ৫,৭২২ জন৷ অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৭৯৫ জন৷

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে প্রত্যেকদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বিশেষত চার জেলায় সর্বাধিক সংক্রমণ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তাই এবার জরুরি ভিত্তিতে নোডাল অফিসার নিয়োগ করল রাজ্য সরকার।

পড়ুন আরও- চার জেলায় সর্বাধিক সংক্রমণ, নোডাল অফিসার নিয়োগ করছে রাজ্য

সোমবার সেই বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কলকাতা, হাওড়া ও দুই ২৪ পরগণার ক্ষেত্রে এই নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।