মেক্সিকো সিটি: বিশ্বজুড়ে বাড়ছে করোনা আতঙ্ক। ইতিমধ্যে রথম সারির দেশগুলো কার্যত এই ভাইরসের প্রভাবে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। ক্রমেই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তার সঙ্গে থমকে নেই মৃতের হারও। এমন অবস্থাতে জনপ্রিয় বিয়ার কোম্পানি করোনা তাদের উৎপাদন বন্ধ রাখল কিছুদিনের জন্য। দেশ জুড়ে চলা সতর্কতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় গ্রুপো মডেলো ব্র্যান্ড যার মধ্যে প্যাসিফিকো এবং মডেলো যুক্ত রয়েছে তাদের তরফে জানানো হয়েছিল মেক্সিকো সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। দেশ জুড়ে চলা এই পরিস্থিতি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে দেশের অন্যান্য সকল কাজকর্ম। আর এই বিধিনিষেধ থাকবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। সেই কারণে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে জনপ্রিয় ওই বিয়ার কোম্পানিরও।

সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে এই পরিস্থিতিতে যাতে তাদের খুব বেশি ক্ষতির মুখ দেখতে না হয় সেই কারণে রাশ টানা হয়েছে উতপাদনের ক্ষেত্রেও। আর সেই কারণে সরকারি বিধিনিষেধ যতদিন থাকবে টা তাদের সংস্থার তরফ থেকে মানাও হবে। ইতিমধ্যে মেক্সিকোতে থাবা বসিয়েছে এই করোনা ভাইরাস। আর সেই কারণে স্বাভাবিক ভাবেই এই বিয়ার নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পরেছিল সাধারণ মানুষ। যার প্রভাব পড়তে শুরু করে করেছিল ওই সংস্থার উপরেও।

মেক্সিকো সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই পরিস্থিতিতে কেবলমাত্র চাষবাসের সঙ্গে যুক্তরাই তাদের কাজ চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। তাদের উপরে কোন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। যদিও গ্রুপো মডেলোর তরফ থেকে আগে জানানো হয়েছিল যদি সরকার সম্মতি দেয় তাহলে তারা তাদের অধিকাংশ কর্মীর সাহায্যে ব্যবসায়িক আজ চালিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত। কিন্তু যে দিকে পরিস্থিতি গিয়েছে সেখানে দাঁড়িয়েছে সেখান থেকে বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মেক্সিকোর আরও একটি জনপ্রিয় বিয়ার কোম্পানি হ্যানিকেন ইতিমধ্যে তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। যাতে এই সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও কমানো যায়। যদিও সংস্থার তরফ থেকে সরাসরি ভাবে কিছু জানা যায়নি। ইতিমধ্যে মেক্সিকো টে ১৫০০ জনের শরীরে ধরা পড়েছে এই ভাইরাস এছাড়া মারা গিয়েছেন ৫০ জন। যাতে আর ছড়িয়ে না পড়তে পারে সেই কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।