কলকাতা: করোনা আক্রান্ত ব্যাংকের চার আধিকারিক৷ এরপরই বন্ধ করে দেওয়া হল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার বউবাজার শাখা৷ জানা গিয়েছে,ওই শাখার বাকি কর্মীদেরও করোনা পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ৷ এর আগেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছে অন্যান্য ব্যাংকের একাধিক কর্মী। কিছু দিন আগে বিধাননগরের স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার একটি শাখায় ২১জন কর্মী করোনা আক্রান্ত হন।

সূত্রের খবর, বিধাননগরে এসবিআই এর আঞ্চলিক অফিসের ২১ কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছিল ৷ কীভাবে একটি শাখায় এত জন কর্মী করোনা আক্রান্ত হন সেটাই বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছিল ব্যাংক কতৃপক্ষের কাছে।

জানা যায়, ওই ২১ জনের শরীরে সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পরেই ওই শাখা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। এই পর্যন্ত অনেক ব্যাংক কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ কিন্তু অনেকে সুস্থও হয়ে উঠেছেন৷ গোটা রাজ্যেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। করোনায় একের পর এক ব্যাংককর্মীও সংক্রমিত হচ্ছেন।

ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ কলকাতার এক ব্যাংক-কর্তার। এই পরিস্থিতিতে শহর কলকাতা ও রাজ্যের কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে ব্যাংকিং পরিষেবা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে। করোনা আবহে পরিষেবা দিতে গিয়ে সংক্রমিত হয়ে পড়ছেন একের পর এক ব্যাংককর্মী।

এই পরিস্থিতিতে কাজ করতেই আতঙ্কে ভুগছেন ব্যাংকর্মীরা। ব্যাংককর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে সরকারকে আবেদন ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাজ্যের কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে নতুন করে লকডাউন কার্যকর করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে লকডাউন কার্যকর থাকা এলাকাগুলিতে কীভাবে ব্যাংকিং পরিষেবা চালানো যাবে সেব্যাপারে উপযুক্ত পরামর্শ চেয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি পাঠিয়েছে ব্যাংককর্মীদের সংগঠন। এরই পাশাপাশি ব্যাংক ও এটিএমগুলিতে নিয়মিত জীবাণুমক্তকরণের কাজ চালানোরও দাবি জানিয়েছে ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ