গুয়াহাটি: করোনা ও বন্যার জোড়া ফলায় বিদ্ধ অসম। রাজ্যের ২৪ জেলা বন্যার কবলে। লক্ষ-লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। এরই মধ্যে অসমে বিপদ বাড়াচ্ছে করোনা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৭২ জন উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

বন্যা কবলিত অসমে ক্রমেই আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে করোনা। প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টাতেও নতুন করে সেরাজ্যে ৯৭২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কামরূপ জেলায় ৩৫৪ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

একইসঙ্গে অসমের জোড়হাটেও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৫১ জন। সব মিলিয়ে বুধবার রাত পর্যন্ত অসমে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৭ হাজার ৭৪৪। এখনও পর্যন্ত অসমে করোনায় ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, অসমের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বন্যার জেরে অসমে মৃত বেড়ে ১১০। রাজ্যের ২৪টি জেলায় বন্যার জল ঢুকেছে। লক্ষ-লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই ১,০৯,৬০০ হেক্টরেরও বেশি জমির ফসল জলে নষ্ট হয়েছে। রাজ্যের ২২০০-এরও বেশি গ্রাম জলের তলায়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অসমের ধুবরি, লক্ষ্মীপুর, বিশ্বনাথ, দারাং, বকসা, নলবাড়ি, বরপেটা, ধীমাজি, কোকরাঝাড়, চিরাং, গোলাঘাট, জোড়হাট, মাজুলি, শিবসাগর, ডিব্রুগড়-সহ একাধিক জেলা বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত।

রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে স্বভাবতই উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। রাজ্যের ৭০ লক্ষেরও বেশি মানুষ বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েচেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বন্যার জেরে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবরকমভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে অসম সরকার। ইতিমধ্যেই অসমের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সোনোয়ালের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের তরফে অসমকে সবরকম সহায়তারও আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।