করোনা ভাইরাস

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ২২ এপ্রিল রাজ্যে ষষ্ঠ দফার ভোট৷ তার আগে করোনা আক্রান্ত হলেন কৃষ্ণনগর দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী উজ্বল বিশ্বাস৷ আপাতত বাড়িতেই আইসলেশনে থাকবেন তিনি। এদিকে, ভোটের মুখে প্রার্থী করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ায় নতুন করে রণনীতি সাজাতে হচ্ছে তৃণমূলকে।

গতবছর করোনা পরিস্থিতিতে উজ্জ্বল বিশ্বাসকে রাস্তায় নেমে কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। এবার তিনিই করোনা আক্রান্ত। অসুস্থতার কারণে ওই কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রবিবারের সভাতে উপস্থিত ছিলেন না উজ্জ্বল বাবু।

আরও পড়ুন: কোভিড মোকাবিলায় টাস্ক ফোর্স গঠন রাজ্যের

গত কয়েকদিন ধরেই একের পর এক তৃণমূল প্রার্থীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলছে৷ গোয়ালপোখরের তৃণমূল প্রার্থী গোলাম রব্বানি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে। জলপাইগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী পেশায় চিকিৎসক প্রদীপ কুমার বর্মার মঙ্গলবার রাতে করোনা ধরা পড়ে৷ এর পর শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি৷  করোনা আক্রান্ত হয়েছে চুঁচুড়া কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদারও৷ এছাড়া আগেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কল্পনা কিস্কু করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়ে নিজের কেন্দ্রে ভোটের আগেই প্রাণ হারিয়েছেন  মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী প্রদীপ নন্দী। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দীর মৃত্যুতে স্থগিত করা হয়েছে জঙ্গিপুর আসনের নির্বাচন। সপ্তম দফায় ওই কেন্দ্রে ভোট ছিল। তা হওয়ার কথা ছিল আগামী ২৬ এপ্রিল। অপরদিকে, গত বুধবারই কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হক ওরফে মন্টু বিশ্বাসের। ওইদিনই মুর্শিদাবাদে কোরোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ধুলিয়ান পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবল সাহারও।

বাংলায় এই মুহূর্তে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজার ৩০০ জন। স্বাস্থ্য দফতর প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৭১৩ জন। শনিবার সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬ জন। মৃত্য হয়েছে ৩৪ জনের। শনিবার সংক্রমণের হার ১৬.৪২ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.