শ্রীনগর: পাঞ্জাবের পর এবার কাশ্মীর। করোনার কবল থেকে রক্ষা নেই দুধের শিশুদেরও। ফের ৮ মাসের এক সদ্যোজাতের দেহে মিলল করোনার জীবাণু। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি প্রথম সামনে আনেন, জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের মুখপাত্র রহিত কৌনসওয়াল। এদিন তিনি টুইট করে জানান যে, উপত্যকায় এবার ৮ মাসের শিশুর রক্তের নমুনায় মিলেছে করোনার জীবাণু।

শুধু তাই নয়, ওই সদ্যোজাতের ৭ বছরের দিদির শরীরেও ধরা পড়েছে করোনার সংক্রমণ। ফলে এই নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১। এদিকে করোনায় আক্রান্ত ওই দুই শিশুর পরিবারের ইতিহাস ঘেঁটে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি তাদের পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরব থেকে ঘুরে এসেছেন।

এছাড়াও বুধবার নতুন করে আবার ৪ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যারা প্রত্যকেই কাশ্মীরের বন্দিপোড়া জেলার বাসিন্দা।

অন্যদিকে, গত মঙলবারই উপত্যকায় করোনায় আক্রান্ত প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ৬৫ বছর বয়সী মৃত ওই ব্যক্তি সম্প্রতি দিল্লি ঘুরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার বেশকিছু মানুষের সংস্পর্শে এসেছিলেন। এদিকে, দেশে তরতড়িয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯৫ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশ জুড়ে চলছে ২১ দিনের টানা লকডাউন। রাতেই দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লকডাউন চলাকালীন বাঁশিতে নিজেদের ঘরে থাকতে আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে রাজ্যগুলিকে ও যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।

বৃহস্পতিবারে সকালেই জম্মু কাশ্মীর থেকে প্রথম কোনও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর আসে। মৃত পরিবারের আরও চার সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইন রাখা হয়েছে। বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত এক রোগীর সন্ধান মিলেছ। ইএম বাইপাস সংলগ্ন নয়াবাদের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে পিয়ারলেস হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তি। পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হল ১০।