লন্ডন: তাঁকে দেখেই টেনিসে হাতেখড়ি৷ তাঁকে আদর্শ করেই ক্রমশ বেড়ে ওঠা৷ বয়সের কারণে এখনও স্কুলের গণ্ডিতেই আটকে রয়েছেন কোরি গাফ৷ তবু উইম্বলডনের মতো বড় মঞ্চে নিজের আদর্শ ভেনাস উইলিয়ামসকে হারাবেন, এটা বোধহয় স্বপ্নেও ভাবেননি মার্কিন কিশোরি৷

বয়স মাত্র ১৫৷ বাছাই পর্বের বাধা টপকে উইম্বলডনের মূলপর্বে উঠে এসে চমকে দিয়েছেন সকলকে৷ এত কম বয়সে গ্র্যান্ড স্লাম ইভেন্টের মূলপর্বে খেলার নজির সত্যিই বিরল৷ এর আগে মার্টিনা হিঙ্গিস ১৬ বছর বয়সে গ্র্যান্ড স্ল্যামের আঙিনায় পা দিয়েছিলেন৷ কোরি তাঁর থেকেও কম বয়সে উদিত হলেন মেজর টুর্নামেন্টের আঙিনায়৷ কোরি গাফকে এসডব্লু নাইন্টিনে ভেনাস উইলিয়ামসের ক্লোন বলে ডাকা শুরু হয়েছে৷ সেটা সঙ্গতও বটে৷ কেননা একঝলক দেখলে ছোটবেলার ভেনাস বলে ভুল হওয়া স্বাভাবিক৷

এহেন কোরি টুর্নামেন্টের মূলপর্বে উঠে এসে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, তিনি ভেনাসকে দেখেই টেনিসে এসেছেন৷ তাঁকে আদর্শ করেই বড় হওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন৷ কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডে সেই ভেনাসকে সামনে পাওয়া তাঁর কাছে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার থেকেও বেশি৷ তখনও বোধ হয় ভাবেননি যে উইম্বলডনের প্রথম রাউন্ডে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন ভেনাসকে হারিয়েই নিজের গ্র্যান্ড স্ল্যাম কেরিয়ার শুরু করবেন তিনি৷

ভেনাস বনাম কোরির লড়াইকে ‘জেনারেশন গেম’ হিসাবে বর্ণনা করা হচ্ছিল৷ একজনের বয়স মাত্র ১৫, যে কি না নিজের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টের সিঙ্গলস কোর্টে নামছেন৷ অন্যজনের বয়স ৩৯, যিনি ইতিমধ্যেই ৮২টি মেজর টুর্নামেন্টের সিঙ্গলসে প্রতিনিধিত্ব করে ৭বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন৷ ডাবলস ও মিক্সড ডাবলসের হিসাব ধরলে ২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি জিতেছেন ভেনাস৷ ফেড কাপ, অলিম্পিক, ট্যুর ফাইনালস, এমন কোনও বড় ট্রফি নেই যা ভেনাসের ক্যাবিনেটে শোভা পাচ্ছে না৷

এহেন ভেনাস কেরিয়ারের ৮৩ নম্বর গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্ট তথা নিজের ২২ নম্বর উইম্বলডনের প্রথম রাউন্ডেই হেরে বসেন বিশ্বব়্যাংকিংয়ে নিজের থেকে (৪৪) ২৬৯ ধাপ পিছনে থাকা স্বদেশীয় কোরি গাফের (৩১৩) কাছে৷ ১ ঘণ্টা ১৯ মিনিটের লড়াইয়ে ভেনাসকে ৬-৪, ৬-৪ স্ট্রেট সেটে পরাস্ত করেন কোরি৷ স্বাভাবিকভাবেই উিম্বলডনে নতুন তারার জন্ম হল বলেই ধরে নিচ্ছে বিশেষজ্ঞমহল৷

জয়ের পর কোর্টেই কান্নায় ভেঙে পড়েন কোরি৷ পরে নিজের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘বিশ্বাস হচ্ছে না এমনটা সত্যিই ঘটেছে৷ কখনই ভাবিনি এমন কিছু হতে পারে৷ এত বড় মঞ্চে এই প্রথমবার খেলতে নেমেছিলাম৷ শুধু ভেনাসকে বলার ছিল যে ওঁর জন্যই আজ আমি এখানে আসতে পেরেছি৷ ভাবিনি ম্যাচটা জিতে যাব৷ সব কিছু স্বপ্ন মনে হচ্ছে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।