ফাইল ছবি

জয়পুর: ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার দিন। অন্যদিকে ভারতের কাছে এদিন ‘ব্ল্যাক ডে’ও বটে। গত বছর এইদিনেই শহীদ হয়েছিলেন ৪০ জন জওয়ান। তাই তাঁদের স্মরণ করা হচ্ছে দেশজুড়ে। এরই মধ্যে বিস্ফোরণের খবর। রাজস্থানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত হলেন কমপক্ষে ১৫ জন। এদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা গুরুতর।

শুক্রবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের শিকারার শেখপুরা এলাকায়। জানা গিয়েছে, গ্যাস লিক করার ফলেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ মারফৎ জানা গিয়েছে,সিলিন্ডারে লিকের কথা দুর্ঘটনার আগেই জানতে পেরেছিল বাড়ির লোকেরা। গ্যাস লিক হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তে আশে পাশের বাড়ির কয়েকজন ও ওই পরিবারের আত্মীয়-স্বজনেরাও ওই বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছিল। আর সেটাই কাল হল।

সবাই মিলে ঠিক করা হয়, বাইরে বের করে আনা হবে ওই সিলিন্ডার। সেই মতো বাইরে বের করতে গিয়েই ঘটে বিস্ফোরণ। যারা সে সময় বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁরাও ব্যাপক ভাবে আহত হন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, মোট ১৫ জন আহত হলেও ৯ জনেক দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় জয়পুরের এসএমএস হাসপাতালে এবং বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

আরও পড়ুন- পাকিস্তানে চলে যাওয়া দাবিহীন ‘শত্রু সম্পত্তি’ বাংলায় নিলাম হবে দ্রুত

বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আশাপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ির দেওয়ালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরেই আজমীর জেলার বেওয়ারে একটি বিয়ে বাড়িতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেই বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ১৮ জনের। শিকারার এই বিস্ফোরণের তীব্রতা ব্যাপক হলেও এখনও কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। সকলেরি চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।