লন্ডন: তিনি ইংল্যান্ডের সফলতম টেস্ট অধিনায়ক৷ তিনি টেস্ট ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সেরা রান সংগ্রাহক৷ সেই অ্যালেস্টার কুকও প্রশ্ন তুললেন মোতেরায় ভারত-ইংল্যান্ড তৃতীয় টেস্টের পিচ নিয়ে৷ এই পিচে পিঙ্ক বল টেস্ট দেখা অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করেন প্রাক্তন ইংরেজ অধিনায়ক৷

নবনির্মিত মোতেরায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাত্র দু’দিনেই পিঙ্ক বল টেস্টে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে ভারত৷ দু’দিনের কম সময়ে ১০ উইকেটে টেস্ট জিতে চার ম্যাচের সিরিজে ২-১ এগিয়ে গিয়েছে টিম কোহলি৷ এই টেস্ট হেরে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে ছিটকে গিয়েছে ইংল্যান্ড৷ একই সঙ্গে ফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে ভারত৷ সিরিজের শেষ টেস্ট ড্র করতে পারলেই বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে যাবে কোহলি অ্যান্ড কোং৷

পিঙ্ক বল টেস্টে ভারতের জয় প্রসঙ্গে প্রাক্তন ‘থ্রি লায়ন্স’ ক্যাপ্টেন বলেন, ‘ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই টেস্ট জিতেছে৷ কারণ উপমাহাদেশে ভারত যথেষ্ট শক্তিশালী দল৷ কিন্তু এই টেস্ট দেখা কঠিন ছিল৷ কারণ ম্যাচ জয়ে পিচের প্রভাব ছিল৷ ভারত ১০ উইকেটে টেস্ট জিতেছে৷ কিন্তু এটা নাও হতে পারত৷’ পিঙ্ক বল টেস্টে দু’দিনেরও কম সময়ের ব্যবধানে ৩০টি উইকেট পড়েছে৷

প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড ১১২ রানে অল-আউট হওয়ার পর বড় রান করতে পারেনি ভারতও৷ জো রুট ও জ্যাক লিচের দুরন্ত স্পিনের বিরুদ্ধে মাত্র ১৪৫ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস৷ শুরুটা ভালো করলেও শেষটা ভয়ংকর ভারতীয় ইনিংসের৷ মাত্র ৩১ রানে শেষ সাত উইকেট হারায় ভারত৷ মাত্র ৩৩ রানের লিড পায় টিম ইন্ডিয়া৷ কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ভয়ংকর পরিস্থিতি হয় ইংল্যান্ডের৷ মাত্র ৮১ রানে ইংল্যান্ড ইনিংস শেষ করে দেন ভারতীয় স্পিনাররা৷ ফলে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল মাত্র ৪৯ রান৷ যা অষ্টম ওভারে কোনও উইকেট না-হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় টিম কোহলি৷

এই পিচে স্পিনের বিরুদ্ধে খেলা কতটা কঠিন, তার ব্যাখ্যা করে কুক বলেন, ‘স্পিনের বিরুদ্ধে খেলাটা অত্যন্ত কঠিন ছিল৷ ভারত শেষ সাত উইকেট ৪০ রানের কমে হারানোয় চাপ তৈরি হয়েছিল৷ ইংল্যান্ড এখানে ৮১ রানে শেষ হয়ে যায়৷ আমার বাইরে থেকে বলতে পারি, এই বলটা এভাবে খেলা উচিত ছিল৷ কিন্তু ভাগ্য সঙ্গ না-দিয়ে কোনও কৌশল সফল হত না৷ দ্বিতীয় দিনের পিচের চরিত্র দেখে বলছি৷ এটা চতুর্থ দিন হলে কিছু বলার ছিল না৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।