ফাইল ছবি। গুগল থেকে প্রাপ্ত এই ছবি

প্রার্থী পরিচয়

লোকসভা কেন্দ্র: কোচবিহার

পরেশ চন্দ্র অধিকারী

দল: তৃণমূল কংগ্রেস

বয়স: ৬৬ বছর

পেশা: পেনশনার

লেখাপড়া: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ, বিএড, এলএলবি(এনবিইউ)

রাজনৈতিক কেরিয়ার: শুরু থেকেই ফরওয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে জিতে মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হয়েছেন৷ বাম আমলে মন্ত্রীও ছিলেন৷২০১৮ সালের অগাস্ট মাসে ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তিনি৷এবার ঘাসফুলের টিকিটে লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করছেন তিনি৷তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ও মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদ দেওয়া হয়৷

শখ: ফুটবল, ম্যাগাজিন, গল্পের বই পড়া

স্ত্রীর নাম: মীরা অধিকারী, গৃহবধূ

ভোটারদের কাছে গিয়ে বলছেন: গত পাঁচ বছর এই কেন্দ্রেরই সাংসদ ছিলেন৷ পাঁচ বছরের এলাকায় কি কি উন্নয়ন করেছেন সেগুলি মানুষের সামনে তুলে ধরে ভোট চাইছেন৷

জিতলে প্রথম কাজ: মেডিক্যাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ , শিশুদের জন্য হাব তৈরির কাজ চলছে৷ সেগুলি দ্রুত শেষ করা৷

গোবিন্দ চন্দ্র রায়

দল: ফরওয়ার্ড ব্লক

বয়স: ৬১ বছর

লেখাপড়া: ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ, বিএড, এলএলবি

পেশা: শিক্ষকতা, আইনজীবী

রাজনৈতিক কেরিয়ার: ১৫ বছর বয়স থেকে রাজনীতি হাতেখড়ি৷ বেরুবাড়ি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত৷ ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক ছিলেন৷ পরে রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য৷বর্তমানে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য৷

শখ: লেখালেখি

স্ত্রীর নাম: সবিতা রায়

ভোটারদের কাছে গিয়ে বলছেন: বিজেপি-তৃণমূল নয়, বামফ্রন্টকে ভোট দিন৷ বিজেপি সরকারের আমলে দেশের সম্পদ লুঠ হয়েছে৷ কোচবিহার কৃষকরা বিপন্ন হয়েছে৷ আর তৃণমূল মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে৷ উন্নয়নের নামে একটি অংশকে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে৷

জিতলে প্রথম কাজ: কোচবিহার বিমানবন্দর, তোর্সা সেতুর উপর তৃতীয় সড়কের দাবি দীর্ঘদিনের৷ সমস্যাগুলো সংসদে তুলে ধরা৷

পিয়া রায়চৌধুরী-

দল: জাতীয় কংগ্রেস

বয়স: ৩৮ বছর

পেশা: শিক্ষিকা

লেখাপড়া: ২০১২ সালে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ৷ ২০১৫ সালে নেতাজি সুভাষ ওপেন ইউনিভার্সিটি থেকে বি.এড৷

রাজনৈতিক কেরিয়ার: রায়গঞ্জের মেয়ে৷ শ্বশুরবাড়ি কোচবিহারে৷ দুটি বাড়িই কংগ্রেসি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত৷ স্বামী বিশ্বজিৎ সরকার এআইসিসির সদস্য৷ অসম ইউথ কংগ্রেসের নেতা৷সেই সুবাদে ভোটে প্রার্থী হওয়া৷

শখ: ছবি আঁকা৷ লেখালেখি৷ মানুষের সেবা করা৷

স্বামীর নাম: বিশ্বজিৎ সরকার, আইনজীবী

ভোটারদের কাছে গিয়ে বলছেন: আপনারা সচেতন ভোটার৷ দয়া করে নির্ভয়ে ভোট দিন৷

জিতলে প্রথম কাজ: কোচবিহার রাজার শহর৷ এই শহরের পর্যটনে জোর দেব ৷তার মাধ্যমে শহরবাসীর কর্মসংস্থানের চেষ্টা করব৷ তোর্সা সেতুর উপর তৃতীয় সড়ক তৈরির কাজ শুরু করার চেষ্টা করব৷

নিশীথ প্রামাণিক

রাজনৈতিক দল: বিজেপি

বয়স: ৩৩ বছর

লেখাপড়া: উচ্চ মাধ্যমিক পাশ

পেশা: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক, এছাড়া ব্যবসা রয়েছে৷

রাজনৈতিক কেরিয়ার: তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কোচবিহার জেলার সম্পাদক ছিলেন৷পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা

শখ: গান শোনা এবং গান গাওয়া

স্ত্রীর নাম: প্রিয়াঙ্কা প্রামাণিক, গৃহবধূ

ভোটারদের কাছে গিয়ে বলছেন: তৃণমূল তাদের গুন্ডাবাহিনী দিয়ে কোচবিহারে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে৷ সেখান থেকে আপনাদের মুক্তি দিতে চাই৷ রাজবংশীদের জন্য আলাদা রেজিমেন্ট তৈরি করার ব্যবস্থা নেব৷

জিতলে প্রথম কাজ: রাজবংশীদের জন্য আলাদা রেজিমেন্ট তৈরি করব৷ সেখানে বাঙালিরাও যোগ দিতে পারবেন৷