শুভেন্দু ভট্টাচার্য, কোচবিহার: ২০১৯-র মধ্যেই কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজের পঠন-পাঠন শুরু হবে চলেছে। ১৮ সালেই এই মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আজ দাবি করলেন কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মিহির গোস্বামী।

আজ, সোমবার তিনি ও কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালের সুপার জয়দেব বর্মণ শহরের বিবেকানন্দ স্ট্রিটে অবস্থিত কৃষি বীজ খামারে নির্মীয়মাণ প্রশাসনিক ভবনের কাজ পরিদর্শন করেন। এই কৃষি খামারে প্রশাসনিক ও শিক্ষণের কাজের জন্য নিদিষ্ট করা হয়েছে৷ চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়গুলি কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালেই হবে বলে তিনি জানান। এই মেডিক্যাল কলেজ তৈরির জন্য খরচ হবে ১৮৫ কোটি টাকা খরচ হবে।

দীর্ঘদিন থেকেই কোচবিহারে একটি মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের দাবি উঠেছিল। কোচবিহার থেকে বর্তমানে নিকটবর্তী মেডিক্যাল কলেজটি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ। যার দূরত্ব কোচবিহার থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার ফলে মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া অনেক সময় দূরহ হয়ে পরে৷ পথেই প্রাণহারান অনেকেই। তাই বাম আমল থেকেই কোচবিহারে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের দাবি উঠছিল। এমনকি বাম আমলের শেষের দিকে কোচবিহারের বাম নেতৃত্ব এই নিয়ে আন্দোলনেও নেমেছিলেন। সেই সমায় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হওয়ায় নতুন করে উত্তরবঙ্গে আরও একটি মেডিক্যাল কলেজ তৈরি চিন্তা ভাবনা ছিল না সরকারের। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের বিশ্ববিদ্যালয়, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেইমতো বিধানসভা নির্বাচনে জিতে বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ আগেই তৈরি করে সরকার৷ এবার মেডিক্যাল কলেজের স্বপ্নও সত্যি হতে চলেছে। কোচবিহার এমজেএন হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মিহির গোস্বামী বলেন, ‘‘কোচবিহার এমজেনএন হাসপাতালকে কেন্দ্র করে এই মেডিক্যাল কলেজ হবে৷ যার জন্য খরচ হবে ১৮৫ কোটি টাকা৷ ইতিমধ্যে কাজ শুরু হবে৷ এই হাসপাতালে ৫০০ শয্যা আছে৷ মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার পর আরও ৩০০ শয্যা যুক্ত করা হবে৷” আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করে ২০১৯ সাল থেকেই এখানে পঠন পাঠন শুরু হবে বলে তিনি জানান।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প