স্টাফ রিপোর্টার, বোলপুর: এ বছর সমাবর্তন ঘিরে একটু বেশিই আলোচনা হচ্ছে। সাজ সাজ রবটাও বেশি। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান একসঙ্গে অংশ নিচ্ছেন বিশ্বভারতীর এই সমাবর্তনে। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যও। আয়োজনে তাই কোনও খামতি রাখতে নারাজ কর্তৃপক্ষ। প্রস্তুতিপর্বে দফায় দফায় চলছে বৈঠক।

শনিবারই সমাবর্তন নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক হয় বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সবুজকলি সেন বৈঠক করেন জেলাশাসক পি মোহন গান্ধি, জেলা পুলিশসুপার এন সুধীর নীলকান্তমের সঙ্গে। ছিলেন অন্যান্য আধিকারিকও।

সমাবর্তন উপলক্ষে ২৫ শে মে বিশ্বভারতীতে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বভাবতই নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা দুই–ই অত্যন্ত দৃঢ় রাখতে হবে। অংশ নেওয়ার কথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও। প্রশাসনিক তৎপরতা তাই তুঙ্গে।

এদিনের বৈঠকে তা নিয়েই প্রাথমিক আলোচনা হয়। প্রশাসনের তরফেও উঠে আসে বিভিন্ন দিক। সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর ঘুরে দেখেন প্রশাসনের আধিকারিক, পদস্থ কর্তারা। দশ বছর পর আচার্য–প্রধানমন্ত্রী আসছেন বিশ্বভারতীতে। তাই কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চায় না কর্তৃপক্ষ।

শেষবার প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন মনমোহন সিং আচার্য হিসাবে সমাবর্তনে যোগ দিতে বিশ্বভারতী আসেন। তার প্রায় দশ বছর পর আসছেন নরেন্দ্র মোদী। এদিনের বৈঠক প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সবুজকলি সেন জানান, “দেশের প্রধানমন্ত্রী তথা বিশ্বভারতীর আচার্য নরেন্দ্র মোদী ২৫ মে সমাবর্তনে আসছেন। এ ধরনের প্রশাসনিক বৈঠক তো রুটিনের মধ্যে পড়ে। সমাবর্তন না হওয়া অবধি এ ধরনের বৈঠক প্রায়ই হবে।”

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV