জয়পুর: ধর্ম বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ধর্মের জন্য অনেক বড় ঘটনা বা দুর্ঘটনা ঘটে যায়। আর সেই ধর্মকে হাতিয়ার করেই অনেকে বড় যুদ্ধ উতরে যেতে চায়।

কর্মরত ছিলেন প্রশাসনিক কর্তা হিসেবে। রাজ্য প্রশাসনের প্রায় শীর্ষ পদেই বহাল ছিলেন তিনি। সেই সময়ে পদোন্নতির জন্য ধর্ম বদল করে হয়েছিলেন মুসলিম। পরে আবার ভটে লড়াই করার জন্য ‘ঘর ওয়াপাসি’ করে হয়ে গেলেন হিন্দু।

আরও পড়ুন- জ্যোতিষীর কথা মেনেই দুপুর ২টোয় মনোনয়ন জমা দিয়েছি: বিজেপি প্রার্থী

যাকে নিয়ে এত আলচনা তিনি হলেন উমরাভ সালোদিয়া। এই পদবি নিয়েই তিনি জীবনের সকল পরীক্ষায় বসেছিলেন। চাকরি ক্ষেত্রেও এই পদবিই ব্যবহার করতেন। কিন্তু কর্মরত অবস্থাতেই বদলে ফেলেছিলেন পদবি। নতুন নাম হয়েছিল উমরাভ খান। চাকরি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেই নামই ব্যবহার করেছিলেন।

সেই পদবি বদলে ফেলেছেন উমরাভ। পুরনো পদবি নিয়েই তিনি লড়ছেন সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে। এই উমরাভকে নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন কিছু নয়। তাঁর পদবি বদল নিয়ে আগেও অনেক বিতর্ক হয়েছে। কাড়ণ পদবির সঙ্গে তিনি বদলে ফেলেছিলেন ধর্ম।

আরও পড়ুন- দাড়িভিটে মৃত ছেলে, রায়গঞ্জে পরিবর্তনের জন্য ভোট দিলেন বাবা

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজস্থান প্রশাসনের সচিব স্তরে শুরু হয় বদ্রোহ। এক সচিব অভিযোগ করে যে দলিত হওয়ার কারণে তাঁর পদোন্নতি হচ্ছে না। সেই বিদ্রোহী ব্যক্তি ছিলেন রাজস্থানের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব উমরাভ সালোদিয়া। সেই সময়েই ধর্ম বদল করে হিন্দু থেকে মুসলিম হয়ে যান তিনি। চাকরি জীবন শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগেই অবসর নিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন- মমতা কৃষকদের নামের তালিকা পাঠাননি, বাংলার কৃষকরা টাকা পাননি: রাজনাথ সিং

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে উমরাভ লড়ছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির টিকিটে। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার তিনি মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। সেখানে তাঁর নাম লেখা রয়েছে উমরাভ সালোদিয়া। এই বিষয়ে তিনি বলেছেন, “নাম বদলের বিষয়ে আমি এখনও কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে অনুমতি পায়নি। সেই কারণে বাধ্য হয়েই পুরনো নামে মনোনয়ন জমা দিয়েছি।”

এই বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি লিখলেও জবাব আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি। নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করে তিনি বলেছেন, “সাংসদ হটে পারলে দলিতদের স্বার্থে কাজ করব। রাজ্যের মুখ্য সচিব হিসেবে আমায় নিযুক্ত করলেও আমি সেটাই করতাম।”