স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং-এর বিরুদ্ধে ধর্মীয় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠলো। একটি টুইট করে অর্জুন সিং দাবি করেছেন, একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায় মুর্শিদাবাদে কালীমন্দির ধ্বংস করেছে।

বিজেপি সাংসদের অর্জুন সিংয়ের ধর্মীয় উসকানি মূলক একটি টুইটকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকালে কালীপ্রতিমা পুড়িয়ে দেওয়ার কিছু ছবি দিয়ে একটি টুইট করেন সাংসদ অর্জুন সিং। তিনি লেখেন, “দিদির জিহাদি রাজনীতি এখন হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেখুন মুর্শিদাবাদে কীভাবে মন্দিরের ওপর হামলা চালিয়ে কালীপ্রতিমা পুড়িয়ে দিয়েছে বিশেষ একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ।”টুইটটি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় প্রবল বিতর্ক।

এরপরই বিজেপি সাংসদের টুইটের ছবি দিয়ে একটি টুইট করে রাজ্য পুলিশ। সেখানে বলা হয়, “এই পোস্ট বা দাবি বিভ্রান্তিকর। এর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভ্রান্তিকর এবং উস্কানিমূলক এই পোস্ট এড়িয়ে চলুন।”

আলমপুর কালী মা নিমতলা কালী মন্দিরের তরফে মন্দিরের সম্পাদক সুখদেব বাজপেয়ী জানিয়েছেন, সেখানে ধর্মীয় কোনও দৃষ্টিকোণ নেই। দুর্ঘটনা বশত মূর্তিটি পুড়ে গিয়েছে। এলাকায় হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগেও তেলেনিপাড়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের সময় অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I