নয়াদিল্লি: সাধ্বী প্রজ্ঞা মানেই বিতর্ক৷ আবারও অস্বস্তিতে পদ্ম শিবির৷ ড্যামেজ কন্ট্রোলে তাই আর কালবিলম্ব করেননি গেরুয়া দলের নেতৃত্ব৷ ভোপালের বিধায়ককে দলের সদর দফতর দীনদয়াল উপাধ্যায় ভবনে ডেকে পাঠানো হয়৷ ,সূত্রের খবর, সাধ্বীর মন্তব্যে যে দলীয় নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট তা জানিয়ে হয় তাঁকে৷

শৌচাগার এবং নর্দমা পরিষ্কার করার জন্য মন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত করা হয়নি তাঁকে৷ এমনটাই মন্তব্য করেছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর৷ যা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়৷ এই মন্তব্যের ২৪ ঘন্টা আগেই পদক্ষেপ করেন বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা৷ তাঁর নির্দেশেই নাড্ডা ও বিজেপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিএল সন্তোষ ভোপালের সাংসদকে ভর্ৎসনা করেন৷ আপাতত তাঁকে মুখে কুলুপ আঁটতে বলা হয়েছে৷ নেতৃত্বের চড়া মেজাজের সামনে এদিন অবশ্য সাধ্বী প্রজ্ঞা চুপ ছিলেন বলেই জানা যায়৷

ভোপালের সাংসদ প্রজ্ঞা নিজের লোকসভা এলাকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে মন্তব্য করেন, “এখানে আমার নর্দমা পরিষ্কার করতে আসিনি। বুঝেছেন? আমরা একদমই আপনার শৌচালয় পরিষ্কার করতে আসিনি। যে কাজের জন্য আমরা এসেছি, আর নির্বাচিত হয়েছি, সেটা আমরা সততার সঙ্গে করব। আমরা এটা আগেও বলেছি। আজও বলছি, পরেও বলব।”

শুরু হয় বিতর্ক৷ তারপরও থেমে থাকেননি তিনি৷ নিজের মন্তব্যের সাফাই দিতে তিনি বলেন, ‘‘সাংসদের কাজ হল বিধায়কদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এলাকার উন্নতির জন্য কাজ করা। সাংসদ তহবিলের যা টাকা আসবে তা মানুষের কাজের জন্য ব্যবহার হবে৷’’

এই প্রথম নয়৷ ভোট চলাকালীন শহিদ আইপিএস হেমন্ত কারকারেকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন মালেগাঁও বিস্ফোরণে অভিযুক্ত সাধ্বী৷ পরে গান্ধী হত্যাকারী নাথুরাম গডসেকে ‘দেশপ্রেমিক বলে’ মন্তব্য করেন গেরুয়া শিবিরের এই সাংসদ৷ ঝড় ওঠে সমালোচনার৷ বিতর্ক এড়াতে এর আগেও তাঁকে সতর্ক করে বিজেপি৷ কিন্তু, তাতে যে বিশেষ ফল হয়নি৷ শৌচাগার এবং নর্দমা পরিষ্কার সংক্রান্ত সাধ্বী প্রজ্ঞার মন্তব্যেই তা স্পষ্ট৷