কলকাতা: আবারও খবরের শিরোনামে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগেই রাজ্য বিজেপিতে কি রদবদল হতে পারে? দলের রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরানো হতে পারে দিলীপ ঘোষকে? রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের অন্দরে এই জল্পনা তুঙ্গে। তবে দিলীপ ঘোষ নিজে এই সম্ভাবনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না। এমনকী মুকুল রায়, স্বপন দাশগুপ্তরাও এই খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

আগামী ৩ বছরের জন্য বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড সামলানোর ভার দিলীপ ঘোষের হাতে তুলে দিয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দিলীপের চওড়া কাঁধে ভর করেই গত লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। ১৮টি লোকসভা আসনে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

আসন্ন বিধানসভা ভোটেও দিলীপের নেতৃত্বেই লড়াইয়ের প্রস্তুতি চলছে। তবে তাল কেটেছে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্বের একটি সিদ্ধান্তের জেরে। দিন কয়েক আগেই এরাজ্যে বিজেপির সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাাদকের পদ থেকে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

বিজেপি সূত্রে খবর, দিলীপ ঘোষ ও সুব্রত চট্টোপাধ্যায় দলে একে অপরের পরিপূরক ছিলেন। সব সিদ্ধান্ত দু’জনে বসে আলোচনা করে ঠিক করতেন। বহু সময় দলের অন্দরে একাধিক কঠিন পরিস্থিতিও সামলেছে দিলীপ-সুব্রত জুটি। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে দিলীপ-ঘনিষ্ঠ সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরানোর পর থেকে জল্পনা বেড়েছে।

বিজেপির একাংশের দাবি, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দলের সভাপতি দুই পদে একসঙ্গে বদল আনতে হয়। সেটা যদি মানতে হয় তবে দিলীপ ঘোষকে সরানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিজেপির অন্য একটি সূত্র বলছে, দিলীপ ঘোষকে না সরিয়ে তাঁর ডেপুটি হিসেবে কার্যকরী সভাপতি নিযুক্ত করতে পারে দল। এব্যাপারে , আরএএস-এর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বিজেপির একাধিকবার আলোচনাও হয়েছে।

যাঁকে নিয়ে এত আলোচনা সেই দিলীপ ঘোষ কিন্তু তাঁকে সরানোর জল্পনা কানেই তুলতে চাইছেন না। উল্টে তিনি বলেছেন, ‘‘এব্যাপারে কিছু জানি না। আমি সবসময় সাধারণ কর্মী, সাধারণ মানুষ, সাধারণ লোকের সঙ্গে থাকি । আমাকে অসাধারণ বানিয়ে, আমাকে বিতর্কিত করে পশ্চিমবঙ্গের নেতা করা হয়ছে। এখন সর্বভারতীয় নেতা করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার কর্মীরা এতে বিভ্রান্ত হবেন না। সাধারণ মানুষও বিভ্রান্ত হবেন না৷’’

দিলীপ ঘোষকে সরানোর খবরকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়৷ তিনি বলেন,‘‘এটা বাজে খবর৷ এর কোনও ভিত্তি নেই৷ যাঁরা এটা ছড়াচ্ছেন তাঁরা ঠিক কাজ করছেন না৷ দিলীপবাবু আছেন ও থাকবেন৷’’একই মত বিজেপির রাজ্য়সভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তেরও৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।