ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : দেশে কিছুটা কমেছে করোনা সংক্রমণের উর্দ্ধগতি। তবে পরিস্থিতি কোনওভাবেই স্বস্তিজনক নয়। এই অবস্থায় চার রাজ্যকে চিঠি দিয়ে সতর্ক করল কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, কেরল ও ছত্তিশগড়কে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রের স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।

তিনি চিঠিতে জানিয়েছেন দ্রুত করোনা মোকাবিলায় ব্যবস্থায় নিতে হবে। সংক্রমণের হার এই চার রাজ্যে অত্যন্ত বেশি, যা বেশ উদ্বেগের। তাই সংক্রমণ কমানোর ব্যবস্থা করতে হনবে রাজ্যগুলিকে। কেন্দ্রের তরফে যে বিবৃতি জারি করা হয়েছে, তা হল প্রয়োজনে কেন্দ্রের সাহায্য নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হোক। এই কাজে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার মতো কঠোর ভাবে মানতে হবে এই চার রাজ্যকে। সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিক সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলি। গোটা দেশের মোট সংক্রমণের ৫৯ শতাংশ এই চার রাজ্যে ছড়িয়ে রয়েছে বলে জানাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এদিকে, শুক্রবার থেকে দেশে শুরু হতে চলেছে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় দফার ড্রাই রান।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন ভারতে ইতিমধ্যেই এমার্জেন্সি অথরাইজেশন বা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে অক্সফোর্ডের ‘কোভ্যাক্সিন’ যা ভারতে সেরাম ইন্সটিটিউটে তৈরি হয়েছে। ছাড়পত্র পেয়েছে ভারত বায়োটেকের তৈরি ‘কোভিশিল্ড’ও। ফলে এগুলি যে খুব তাড়াতাড়ি সাধারণ মানুষকে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদন পাবে, এমনটাই আশা করা যাচ্ছে।

একদিকে যখন ভারতে করোনার নয়া স্ট্রেনে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে তার মধ্যে এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই আশার আলো দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতে ৫৮ জন এই স্ট্রেনে আক্রান্ত হয়েছে। এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সব ভ্যাকসিনই কাজ করছে। কোনও মিউটেশনই এখনও পর্যন্ত কোনও ভ্যাকসিনকে হার মানাতে পারেনি। অন্যদিকে, সেরাম ইন্সটিটিউটের কর্তা আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, ৫০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাক্সিওন এই মুহূর্তে তাঁদের কাছে মজুত রয়েছে।

এদিকে, সম্প্রতি একটি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জার্নালে স্পেনের গ্রানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে, শুধু করোনার মতো জীবাণুই নয়, যেকোনও ধরনের এককোষী অনুজীব অর্থাৎ ব্যাকটেরিয়া দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে৷ নতুন গবেষণায় আরও বলা হয়েছে যে, এই জীবাণুগুলি কেবল মানব এবং প্রাণী স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে না, জলবায়ু এবং বাস্তুতন্ত্রকেও প্রভাবিত করতে পারে এরা।

‘অ্যাটমোস্ফেরিক রিসার্চ জার্নালে’ প্রকাশিত এই গবেষণায় গবেষকরা দেখিয়েছেন যে, যেকোনও ধরনের ব্যাকটেরিয়া এক জায়গা থেকে বা একটি পাএ থেকে দ্রুত অন্য পাত্রে প্রবেশ করে নোংরা জীবাণু ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। এরফলে মানব দেহ ছাড়াও পরিবেশের উপরও যথেষ্ট কুপ্রভাব পড়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।